বৃহস্পতিবার, মার্চ ১২, ২০২৬
বৃহস্পতিবার, মার্চ ১২, ২০২৬

বর্তমানে আওয়ামী লীগের মত ভয়ে আর কেউ নাই: আমির খসরু

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

আবারও কিভাবে ভোটচুরি করে ক্ষমতায় আসা যায় দেশেবিদেশে সেই ষড়যন্ত্র শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। সেজন্য প্রতিটি মুহুর্তে বিএনপি নেতকর্মীদের গুম, খুন, হামলামামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব করার কারণ আগামী নির্বাচনে যাতে কেউ ভোট চুরিতে বাঁধা সৃষ্টি করতে না পারে।

১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে শনিবার ( ২০ মে ) বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি আয়োজিত শহরের উজির আলী স্কুল মাঠে জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরি।

প্রধান অতিথি আরও বলেন, ভোট চুরি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের মতো ভয়ে এখন আর কেউ নাই। কারণ তারা রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে গেছে। জনগণ থেকে সমর্থন হারিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে সরকারি চাকরীজীবীদের উপর নির্ভর হয়ে গেছে। তারা আশা করছে আবারও সরকারি কর্মচারীরা ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আনবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এবার চোর ধরতে হবে। চোর ধরার জন্য সবাইকে প্রস্তুত হতে হবে। চোর এবার পালাতে পারবে না। এজন্য আবোলতাবোল বকছেন প্রধানমন্ত্রী। মাথা খারাপ হয়ে যাবে। বাংলাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে। এবার আর ভোট চুরি করে জনগণ পালাতে দিবে না।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আইনশৃংলারক্ষা বাহিনীর প্রতি হুসিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, আপনাদের গতিবিধি সর্বক্ষন মনিটরিং করা হচ্ছে। আপনারা কে কি করছেন তার হিসাব নেওয়া হবে। তাই আপনারা গণতন্ত্রের স্বাধীনতার পক্ষে আসুন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে আসুন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে আসুন। যদি না আসুন তবে রাজপথেই ফয়সালা হবে বাংলাদেশ কোন দিকে যাবে।

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম.এ মজিদের সভাপতিত্বে জনসমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঝিনাইদহ শহরের উজির আলী স্কুল মাঠে বিরাট এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অবমাননা, গায়েবী মামলায় নির্বিচারে গনগ্রেফতার, মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশ হয়রানী, দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতি, ভয়াবহ লোডসেডিং ও আওয়ামীলীগের সর্বগ্রাসী লুটপাটসহ ১০ দফা দাবী বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশের আগের রাতে বিএনপি নেতদাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ পাঠিয়ে হয়রানী করা হয়। গ্রেফতার করা হয় ১৭জন নেতাকর্মীকে। তারপরও সমাবেশস্থল কানায় কানায় পরিপুর্ণ হয়ে যায়।

আল/দীপ্ত সংবাদ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More