শিরোনাম
ভারত,পাকিস্তান, শ্রীলংকার তুলনায় বাংলাদেশের ঋণের হার কম পূর্বনির্ধারিত স্থানেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চান শরীয়তপুরবাসী প্রতিমা বিসর্জন শেষে নদে পড়ে নিখোঁজ, ৪১ ঘণ্টা পর যুবকের লাশ উদ্ধার কক্সবাজারের হোটেলে ফের আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি নওগাঁয় শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে অটোরিকশায় মাইকিং, গ্রেপ্তার ২ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু পানিতে ডুবতে থাকা গাড়ি থেকে চালককে উদ্ধার করল সাংবাদিক রিয়াদে নিহত শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করলেন শামা ওবায়েদ
দীপ্ত নিউজ
ঢাকা বিভাগ

রাস্তার কাজে অনিয়ম, বিল আটকে দিলেন উপজেলা প্রকৌশলী

আল আমিন
আল আমিন
প্রকাশ:
রাস্তার কাজে অনিয়ম, বিল আটকে দিলেন উপজেলা প্রকৌশলী
রাস্তার কাজে অনিয়ম

ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই থেকে রাকের টেকি পর্যন্ত সড়কের পুনর্নির্মাণ কাজের অনিয়ম হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিল আটকে দিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী।

সরেজমিনে দেখা যায় কাজ শেষ হওয়ার মাত্র সাত দিনের মাথায় বৃষ্টিতেই উঠে যেতে শুরু করেছে নতুন পিচ। কোথাও হাত দিলেই উঠে আসছে কার্পেটিং, আবার যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে উঠে যাচ্ছে পিচ। এতে নতুন সড়ক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বৃষ্টির মধ্যে তড়িঘড়ি করে কার্পেটিং করা হয়েছে এবং ঢাকা টাংগাইল মহাসড়ক থেকে নেমে আসা ঢলে ড্রেন ভর্তি রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতেই কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে। জানা গেছে, ৪৬০ মিটার সড়কটির পুনর্নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করেছে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ।

ঠিকাদার তারেক খান বলেন, বৃষ্টির কারণে কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুতই প্রয়োজনীয় সংস্কার করে সড়কটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করলেই দায়িত্ব শেষ নয়। নিম্নমানের কাজের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সরকারি উন্নয়নকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করতে কার্যকর তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

অনিয়ম এর বিষয় জানতে পেরে উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন উক্ত সাইট পরিদর্শন করেন এবং ঠিকাদার এর সকল বিল আটকে দেন।এছাড়া উক্ত কাজের তদারকির কাজে নিয়োজিত উপ সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে লিখিত ভাবে শোকজ করেন।

উপজেলা প্রকৌশলী আরো জানান যে, ঠিকাদারকে কোনভাবেই কোন বিল প্রদান করা হবেনা, এবং উক্ত রাস্তার সম্পূর্ণ কার্পেটিং ঠিকাদারকে করে দিতে হবে।ঠিকাদার কার্পেটিং পুনরায় না করলে তাকে আর্থিক ভাবে জরিমানা করা সহ তাকে কালো তালিকা ভুক্ত করা হবে।

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।