শিরোনাম
নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামীকাল স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছে সুপ্রিম কোর্ট ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’—লিখে এসিল্যান্ডের ফেসবুক পোস্ট ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৫‘ওয়ালটন হাউজফুল অফার’-এ পণ্য ক্রয়ে ঘরভর্তি ফ্রি পণ্যসহ বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ স্বামীর ‘আলিঙ্গনে’ ভাঙল স্ত্রীর পাঁজরের ৫ হাড়, ভিডিও ভাইরাল ১১ বছর পর মাঠে ফিরছেন রোনালদিনহো ডিএসসিসি প্রশাসক.রাস্তা ও ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসালেই মামলা, মালামাল ক্রোক ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৯৮ ১৫ বছর ধরে প্রতিদিন স্ত্রীর কবর পরিষ্কার করেন মওলা বক্স হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু
দীপ্ত নিউজ
জাতীয়

হেলিকপ্টারে শিশুটির মরদেহ নেওয়া হবে গ্রামের বাড়ি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
হেলিকপ্টারে শিশুটির মরদেহ নেওয়া হবে গ্রামের বাড়ি

সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে শিশুটির মরদেহ গ্রামের বাড়ি মাগুরায় নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর সিএমএইচ থেকে শিশুটির মরদেহ কিছুক্ষণের মধ্যে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে নেয়া হবে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে নেয়া হবে গ্রামের বাড়ি মাগুরায়। সন্ধ্যা ৭টায় মাগুরার নোমানী ময়দানে শিশুটির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মাগুরায় ধর্ষণের শিকার আট বছর বয়সী শিশুটি।

হাসপাতালের শিশু বিভাগের শিশুরোগের চিকিৎসাসংক্রান্ত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (পিআইসিইউ) চিকিৎসা চলছিল শিশুটির। গতকাল বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারবার ও বৃহস্পতিবার আরও দু‘বার ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ (আকস্মিকভাবে হৃৎস্পন্দন বন্ধ) হয় শিশুটির।

আট বছরের শিশুটি ৫ মার্চ মাগুরায় বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে গভীর রাতে ধর্ষণের শিকার হয়। শিশুটিকে প্রথমে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। পরে বৃহস্পতিবার রাতে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার রাতে শিশুটিকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে শনিবার (৮ মার্চ) বিকেলে শিশুটিকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসা চলছিল।

ধর্ষণের ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে চারজনের নামে মামলা করেন। ধর্ষণের অভিযোগে শিশুটির ভগ্নিপতি সজিব (১৮), সজীবের ভাই রাতুল (১৭), তাদের বাবা হিটু মিয়া (৪২) ও মা জাবেদা বেগমকে (৪০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।