শিরোনাম
সাড়ে চার ঘণ্টায় রাজধানীর ১৩ জায়গা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, বিএনপি নেতা বহিষ্কার অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান কক্সবাজার রিসোর্টে ছেলে, মেয়ে ও নাতির মৃত্যু‘আমাদের আর কেউ রইল না, কী নিয়ে বেঁচে থাকব’ নুডলস খেয়ে একই পরিবারের ৫ সদস্যের মৃত্যু! ঢাকা-রিয়াদ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্লাইট স্থগিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় টুপটুপ রিসোর্ট ম্যানেজার আটক প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন নাহরিন ইসলাম খান ইবনে সিনার ওষুধ কারখানায় আগুন কক্সবাজার রিসোর্টে আগুনপুড়ে মারা গেলেন একই পরিবারের ৬ জন, লাফ দিয়ে বাঁচলেন আশিকুল
দীপ্ত নিউজ
বাংলাদেশ

বিএনপির ২৭দফা দাবি নিয়ে জয়ের প্রশ্ন

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
বিএনপির ২৭দফা দাবি নিয়ে জয়ের প্রশ্ন
সজীব ওয়াজেদ জয়

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন,  যারা ক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতি, উগ্রবাদ, সংখ্যালঘু নির্যাতনের মতো ঘটনার সাথে জড়িত ছিল তাদের পক্ষে ২৭ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ‘রাষ্ট্র মেরামত’ কি আদৌ সম্ভব? – শুক্রবার (৩ মার্চ) রাতে ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে এ কথা জানান তিনি।

বিএনপি ২০২২ সালের ১৯ ডিসেম্বর ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামত’–এর উদ্দেশ্যে ২৭ দফা রূপরেখা ঘোষণা করেন।  এরপর রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

এ প্রসঙ্গে তিনি ভিডিওতে আরও বলেন, বিএনপি বলছে তারা ক্ষমতায় এলে ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন’ গঠন করবে। অথচ, দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সবার আগে ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাদ দিয়েছিল। ধর্মীয় সম্প্রতি নষ্ট করা ছিল প্রথম ধাপ। শুধু তাই নয়, রাজাকারদের ক্ষমা করে রাজনীতি করারও সুযোগ দিয়েছিল জিয়া। সংবিধান ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদেরও দায়মুক্তি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিল।

দলটির দ্বিতীয় দফায় বলা হয়, রেইনবো নেশন করে প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতি বন্ধ করবে। অথচ, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং ২০১৩-১৪ সালে অগ্নিসন্ত্রাস এই বিএনপির হাতেই ঘটেছিল।

তৃতীয় দফায় বলা হয়, নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। অথচ, খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন বলেছিলেন, শিশু আর উন্মাদ ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। এই উক্তি দিয়েই দলটির অবস্থান পরিষ্কার হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ২০০৭ সালে ৮ম সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০০৪ সালে চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির বয়স বাড়িয়ে দলটি বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

দলটির অষ্টম দফায় বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন-২০২২ সংশোধন করা হবে। অথচ, ২০০৫-০৬ সালে একতরফাভাবে চারদলীয় জোট সরকার বিচারপতি অবসরপ্রাপ্ত এম এ আজিজকে ২০০৫ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশন হিসেবে নিয়োগ দেয়। সেই কমিশন প্রায় দেড় কোটি ভুয়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে।

অনু/দীপ্ত সংবাদ