সরকার ঘোষিত নির্ধারিত মূল্যেই ভোক্তা এলপি গ্যাস কিনতে পারবে, এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারছি না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) বিকালে বিইআরসি কার্যালয়ে এলপিজি‘র নতুন মূল্য ঘোষণা শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা যে দামটা নির্ধারণ করে দিচ্ছি, ভোক্তা একদম সেই দামেই যে পণ্যটা কিনতে পারবে, সে নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারছি না। যে কোম্পানিগুলো এলপিজি ইমপোর্ট করে থাকে, তাদের যাবতীয় খরচ হিসাব করেই আমরা দামটা নির্ধারণ করে দিই।
তিনি বলেন, অ্যাসোসিয়েশন আমাদের বলছে, নির্ধারিত দামেই তারা পণ্যটা সরবরাহ করছে। এছাড়া আমরা ভোক্তা অধিকারেও কথা বলেছি, যাতে তারা উচ্চমূল্য প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করে। আর উচ্চমূল্যের বিষয়ে যদি কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেবো।
তিনি আরও বলেন, আজ এলপিজি‘র সমস্যা নিয়ে সচিবালয়ে একটি বৈঠক হচ্ছে। সেখানে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা উপস্থিত আছেন। ডিস্ট্রিবিউটর পর্যায়ে যে বেশি মূল্য নেওয়ার অভিযোগ আসছে, এটা নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে। আমরাও অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনা করবো।
জালাল আহমেদ বলেন, পণ্যবাহী জাহাজের সমস্যাটা মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষেত্রে হচ্ছে। আমি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিদের বলেছি, তারা যেন সিঙ্গাপুর থেকে আমদানিটা বাড়ায়। কারণ মধ্যপ্রাচ্য থেকে জাহাজের ঘাটতি আছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিইআরসি সদস্য (গ্যাস) মিজানুর রহমান, সদস্য মো. আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ।
উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা রবিবার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
এসএ