বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২২, ২০২৬
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২২, ২০২৬

শশা চাষে লাভের মুখ দেখছেন ধাওয়াসীমা গ্রামের কৃষকরা

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

মাগুরার জেলার শালিখা উপজেলার ধাওয়াসীমা গ্রাম। এই এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষই কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত। গত পাঁচ বছর ধরে এই গ্রামের বেশ কিছু কৃষক অন্যান্য ফসল আবাদের পাশাপাশি চাষ করছে উচ্চ ফলনশীল জাতের শশা। এ চাষে কৃষকরা অধিক লাভের মুখ দেখছেন যা ইতোমধ্যে কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বাড়িয়েছে।

এ চাষে ফলন যেমন বেশি তেমনি এ ফসল বিক্রির মাধ্যমেও কৃষকরা বেশি অর্থ ঘরে তুলতে পারেন। এই শশা বছর জুড়েই চাষ করা যায়। বর্তমানে এই গ্রামে প্রায় ছয় একর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের শশার আবাদ রয়েছে ‌। এই চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলতে কাজ করছে অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট ইনিসিয়েটিভ (এডিআই) ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। এই শশা চাষে সার বা কীটনাশকের তেমন ব্যবহার নেই বললেই চলে। তবে জমিতে নিয়মিত সেচ দিতে হয়।

কৃষকদের উৎপাদিত শশা সরাসরি মাঠ থেকে ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা।

এই গ্রামে শশার চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষি শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে বেশ। কথা হয় কৃষি শ্রমিক শমির বিশ্বাসের সঙ্গে। তিনি বলেন শশা চাষ শুরু হওয়ার পর থেকে আমাদের সারা বছরই কাজ থাকে। শ্রম এই কাজের সাথে সম্পৃক্ত থেকে আমাদের সংসার ভালোভাবে চলে যাচ্ছে।

এদিকে নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি চাষ করতে সহায়তার লক্ষ্যে বীজ, জৈব সার, জৈব বালাইনাশক, ফেরোমন ফাঁদ, হলুদ ফাঁদ,নীল ফাঁদসহ বিভিন্ন প্রকার পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছে অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট ইনিসিয়েটিভ (এডিআই) ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন ( পিকেএসএফ)

শালিখা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, এলাকার কৃষকরা শশা চাষের যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছে সেটা এ এলাকায় অনেকটা নতুন। নতুন পদ্ধতিতে শসা চাষ করে তারা অধিক পরিমাণে লাভবান হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে শশা চাষ উপজেলা সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে পারলে কৃষকরা অনেক লাভবান হবে।

 

মো.কাশেমুর রহমান শ্রাবণ/এমি/দীপ্ত নিউজ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More