রমজান এবং গরমকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে লেবুর চাহিদা বেড়েছে। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা রোজার ঠিক আগ মুহূর্তে লেবুর দাম কয়েকগুণ বাড়িয়েছে।
গত সপ্তাহে যে লেবুর দাম ছিল ২০–৩০ টাকা হালি, এখন সাপ্তাহের ব্যবধানে সেটি সর্বনিম্ন গুনতে হচ্ছে ৬০–৭০ টাকা। আকার–আকৃতি, জাত ও মানভেদে হালিপ্রতি লেবু ৮০–১০০ টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে এমনকি কোন লেবু ১২০ টাকা দাম চাওয়া চাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নিউমার্কেটের বনলতা কাঁচা বাজারের ভেতর ও বাইরের দোকানগুলোতে দেখা গেছে এমন চিত্র।
বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি দোকানে রোজাকে কেন্দ্র করে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন আকার আকৃতি এবং বিভিন্ন জাতের লেবু এনেছেন বিক্রেতারা। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে এলাচি লেবু (লম্বা আকৃতির লেবু)। একই সাথে কলম্বো (গোল আকৃতির লেবু), কাগজী লেবুও রয়েছে। অধিকাংশ দোকানে লেবুর দাম নির্ধারিত হচ্ছে আকৃতি উপর নির্ভর করে। লেবু যত বেশি বড় দামও তত বেশি। তবে যেকোনো জাতের লেবু দাম সর্বনিম্ন ৬০–৮০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১২০ টাকা দাম হাঁকা হচ্ছে।
এক বিক্রেতা বলেন, ‘আমি ৪ ধরনের লেবু এনেছি। এর মধ্যে একটি জাতের আকার সবচেয়ে বড়। সেটি কিনতে হয়েছে হালি ১০০ টাকা। লম্বা বড় জাতের লেবুর হালি ৮০ টাকা। আর ছোট–মাঝারি আকৃতির লেবুর হালি ৬০ টাকা। এটিই সর্বনিম্ন দাম। সবচেয়ে ছোট লেবুও ১৫ টাকা পিস হিসেবে পাইকারি মার্কেটে দাম চেয়েছে। আমাদের কিছুই করার নেই। প্রতিবছরই রোজার শুরুতে এরকম বাড়তি দাম থাকে।‘
তবে পাহাড়ি লেবু বাজারে নামলে তখন দাম কমে যাবে।
বিক্রেতারা জানান, পাইকারা বাড়তি দামে লেবু বিক্রি করছে। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। আবার রোজা ও গরমের কারণে চাহিদা বেশি হওয়ায় বাজারে অনেক ব্যবসায়ী পর্যাপ্ত লেবু পাননি। যা প্রভাব ফেলেছে লেবুর দামে।
লেবুর বাড়তি দাম নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন ক্রেতারাও। এক ক্রেতা জানান, রোজার বাজার করেছি আজ। এখন লেবু কিনতে এসেই অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ভালো মানের লেবুর হালি ৮০ টাকা চাচ্ছে। আর সাইজে বড়গুলো ১০০ টাকা চাচ্ছে। বাধ্য হয়ে ৮০ টাকায় এক হালি নিতে হলো। দাম কমলে আবার নেবো।
ইএ