সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার পূর্ব নলতা সামছুল উলুম মাদ্রাসা (হাফিজিয়া) প্রি ক্যাডেট স্কুলে শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালাতে সাহায্য করায়, মাদ্রাসা শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ও পরিচালক রফিকুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মেহেদী হাসান। তার বাড়ি কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের গোয়ালডাঙা গ্রামে। মেহেদী সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
শিক্ষার্থীর বাবার আব্দুস সামাদ জানান, হেফজো ও সাধারণ শিক্ষা গ্রহণের জন্য তার ছেলেকে পাঁচ মাস আগে পূর্ব নলতা সামছুল উলুম মাদ্রাসা ও প্রিক্যাডেট স্কুলে ভর্তি করান। বুধবার (২১ জুন) দুপুর দেড়টায় তার ছেলে ফোনে তাকে যেতে বল্লে, তিনি জানতে পারেন দুপুর একটার দিকে দোতলার একটি কক্ষে ডেকে শিক্ষক তাকে বলাৎকার করেছে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয় শিক্ষক।
বিষয়টি জানার পর শিক্ষার্থীর বাবা মাদ্রাসা পরিচালক রফিকুল ইসলাম ও প্রতিষ্ঠাতা কামেল সালমান হোসেনকে অবহিত করেন কিন্তু তারা মেহেদী হাসানকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে।
তিনি বিষয়টি কালিগঞ্জ থানাকে অবহিত করেলে বুধবার রাত ১১ টার দিকে উপপরিদর্শক হাসান মাহমুদের নেতৃত্বে পুলিশ এসে রফিকুল ও মনিরুলকে আটক করে থানায় নিয়ে যান ।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আমিরুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি না থাকায় এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে বৃহষ্পতিবার (২২ জুন) সকালে তারা একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করেছেন।
থানার কর্মকর্তা মামুন রহমান জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসা পরিচালক ও একজন শিক্ষককে বুধবার রাতে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
রঘুনাথ খাঁ/এসএ/দীপ্ত নিউজ