মধ্যপ্রাচ্যে ইরানে ধারাবাহিক হামলা অব্যাহত থাকলে ‘প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি আরব। এদিকে ইরানের চার শীর্ষ নেতাদের হত্যা ও তেল ও গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে সৌদি আরব, কাতার ও আরব আমিরাতের তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছে তেহরান।
বুধবার (১৮ মার্চ) ইরানের সবচেয়ে বড় সাউথ পার্স গ্যাস ক্ষেত্র এবং আসালুয়েহতে অবস্থিত তেল স্থাপনায় ভয়াবহ হামলার জবাবে এসব হামলা চালায় দেশটি।
ইরানের হামলার পর গ্যাস ক্ষেত্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে আমিরাত। সৌদি আরবের দুটি তেল পরিশোধনাগারে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সউদ।
এছাড়া কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটির কয়েকটি এলএনজি গ্যাসক্ষেত্রে দুই বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
এতে স্থাপনাগুলোতে ভয়াবহ আগুন লাগার পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতার এনার্জি।
এদিকে ইসরায়েলি হামলায় ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খতিবের নিহতের কথা নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শীর্ষ নেতাদের হত্যার জবাবে ইসরায়েলেও ক্লাস্টার বোমা নিক্ষেপ করেছে তেহরান। এতে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে তিনটি উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের যা কিছু ‘অবশিষ্ট‘ আছে, তা শেষ করে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৮০০–এর বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে দেশটির ১২০টিরও বেশি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করা হয়েছে জানিয়েছে সেন্টকম।