একটি সেতুর অভাব, ‘ক্ষোভ‘ আর ‘হতাশা‘ জন্ম দিচ্ছে ভোলাবাসীর মনে। দীর্ঘদিন ধরে ‘বরিশাল–ভোলা সেতু‘ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসলেও, অগ্রগতি নেই এই প্রকল্পের। সেতুটি নির্মাণ করতে চায় জাপানি প্রতিষ্ঠান মিয়াগাওয়া কেনসেটসু কোম্পানি লিমিটেড।
পদ্মা সেতু তৈরির পর, দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় সব জেলা রাজধানীর সাথে সরাসরি সড়ক সংযোগে এসেছে; ব্যতিক্রম শুধু ‘ভোলা‘। বরিশাল হয়ে নৌপথে কয়েক ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছাতে হয় দেশের দক্ষিণের এই দ্বীপ জেলায়।
যুগ যুগ ধরে ফেরিতে পারাপারের ঝুঁকি নিয়েই চলতে হয় তাদের। কিন্তু এখন সময়ের অপচয় আর নানা ঝামেলা থেকে মুক্তি চান, ভোলাবাসী।
ভোলায় দেশের দীর্ঘতম সেতুর হওয়ার কথা রয়েছে। তেঁতুলিয়া ও কালাবাদোর নদীর ওপরে মূল সেতুর দৈর্ঘ ১০ দশমিক আট সাত কিলোমিটার। একইসঙ্গে ৬ দশমিক পাঁচ সাত কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৯ সালে শুরু হয়ে ২০২৪ সালে যে প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এখনো প্রকল্পটি চূড়ান্তই হয়নি।
পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ–পিপিপি‘র ভিত্তিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ২০১৯ সাল থেকে লেগে আছে জাপানের মিয়াগাওয়া কেনসেটসু কোম্পানি। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ১৭ হাজার কোটি টাকা খরচে সেতুটি নির্মাণ করতে প্রস্তুত প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে ভোলায় একের পর এক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হচ্ছে। এই গ্যাস উত্তোলন, ব্যবহার ও শিল্পায়নের জন্য ‘ভোলা সেতু‘ জরুরি বলে মনে করেন, বিশ্লেষকেরা।
তারা বলছেন, বিদেশী বিনিয়োগে সেতুটি হলে, দেশের রিজার্ভে বৈদেশিক মুদ্রা যোগ হওয়ার পাশাপাশি, বাড়বে কর্মসংস্থান।
আল/ দীপ্ত সংবাদ