বিগত কয়েক বছরে বন্ধ হওয়া কলকারখানা চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেসব কল–কারখানা বিগত বছরগুলোতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, পর্যায়ক্রমে আমরা তা আবার চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মহান মে দিবসে উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত স্বৈরাচার সরকার শুধু শ্রমিকদেরই অধিকার বঞ্চিত করেনি, সবাইকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। পুরো দেশের অর্থনীতি আমদানি–নির্ভর করা হয়। একইসঙ্গে দেশের প্রত্যেকটি সেক্টর ধ্বংস করে দেওয়া হয়। শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়।
তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলাপ–আলোচনা করা হয়েছে। তাদের সরকারকে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যেন এ দেশে কলকারখানা তৈরি করে। খেটে–খাওয়া মানুষ ভালো থাকলে, এ দেশ ভালো থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যানজটসহ সাধারণ মানুষের সমস্যার জন্য হকারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তাদের পরিবারের কথা চিন্তা করে হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সরকার এ দেশের খেটে–খাওয়া মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। জায়গা ঠিক করে ধীরে ধীরে হকারদের পুনর্বাসন করা হবে।
একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্ব দরবারে ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিন্তু এতে লাভ হবে না, বিশ্ব দরবার জানে এই সরকার জনগণের নির্বাচিত। চোখ–কান খোলা রাখতে হবে, স্বৈরাচারকে যেভাবে জবাব দেওয়া হয়েছে, একইভাবে ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে।