বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফিতে আবারও চুমু খেলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে আয়োজিত ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রচারণায় অংশ নিয়ে ফের সোনার ট্রফিটিতে পরশ বুলিয়ে দেন এলএমটেন।
এত বড় ফুটবল তারকা, দুনিয়াজোড়া যার এত খ্যাতি, যার সামনে পৃথিবীর বেশির ভাগ ফুটবলভক্তই হয়ে পড়েন শিশুর মতো–সেই লিওনেল মেসিই কি না, মাত্র ১৪ দশমিক চার ইঞ্চি উচ্চতার ছয় দশমিক এক–সাত–পাঁচ কেজি ওজনের ট্রফিটির সামনে লাজুক লতার মতো গুটিয়ে গেলেন। এমন হবে নাই–বা কেন, ওটা যে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসল ট্রফি। প্রায় তিন বছর আগে কাতারে যেটা জিতিয়েছিলেন আর্জেন্টিনাকে।
২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাস্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায়। মেসি এখন ইন্টার মায়ামিতে খেলায় লস অ্যাঞ্জেলসে তাকে পাওয়াটাও বেশ সহজ হয়ে যায় অ্যাডিডাসের স্পন্সর ও ফিফা‘র জন্য। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অ্যাডিডাস তাদের প্রচারণার শুরু হিসেবে, মেসি ও বিশ্বকাপ ট্রফিকে আবার মিলিয়ে দেয়।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করার পর এই ট্রফি যেন মেসির এক অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে। অ্যাডিডাস ও ফিফার আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে মেসির সঙ্গে ছিলেন, এনএফএলের তারকা কানসাস সিটি চিফসের কোয়ার্টারব্যাক প্যাট্রিক মাহোমেস। বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে মেসির ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে, মাহোমেস লিখেছেন, অ্যাডিডাসের সঙ্গে বিশ্বকাপের কিক–অফ।
ট্রফিটি বাঁ হাত দিয়ে মেসি এমনভাবে আগলে রাখলেন যেন কোনো বাচ্চা কোলে নিয়েছেন। ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো তখন তাকে ট্রফিতে চুমু খেতে বলেন। বাচ্চাদের মাথা সাপটে দেয়ার মতো ডান হাত দিয়ে ট্রফিটির মাথায় একবার হাত বুলিয়ে চুমু খান এলএমটেন। সঙ্গে সঙ্গে চারপাশ থেকে করতালির রোল পড়ে। ইনফান্তিনোকেও তখন হাসতে দেখা যায়।
৩৭ বছর বয়সী মেসি ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা নিয়ে গুঞ্জন চলছে বহুদিন। সিদ্ধান্তটি শেষ পর্যন্ত মেসিই নেবেন। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলায় ভক্তরাও তাকে আগামী বছরের বিশ্বকাপে দেখার আশা করছেন। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে টেবিলের শীর্ষ দল হিসেবে এরই মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পেয়েছে আলবিসেলেস্তারা।
মায়ামির হয়ে মেসিদের সামনে এখন কনকাক্যাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ। লস অ্যাঞ্জেলসের এই বিএমও স্টেডিয়ামেই বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকালে কোয়ার্টার ফাইনাল প্রথম লেগে লস অ্যাঞ্জেলস এফসির মুখোমুখি হবে ইন্টার মায়ামি।