শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬
শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোনের তার চুরি, দুই আসামি রিমান্ডে

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তামার চুরি হওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার রঞ্জন চন্দ্র (২৬) এবং রিজাকুল ইসলামের (৩২) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালত এই রিমান্ডের আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শাহ আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) উপপরিদর্শক এনজামুল হক। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক প্রত্যেকের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত এই স্পর্শকাতর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। এই ঘটনায় বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ শাহবাগ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। পরে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যউপাত্ত বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ে আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

সিটিটিসি সূত্রে আর জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন যে, শুক্রবার (২২ মে) সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তামার তার চুরি করেন এবং পরে সোমবার (১ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট আট কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি দল অভিযান পরিচালনা করে একুশে হলসংলগ্ন ভাঙারি দোকান থেকে রিজাকুল ইসলাম (৩২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী সময়ে চকবাজার থানার হোসেনী দালান রোড এলাকায় অবস্থিত একটি ভাঙারি গুদামে অভিযান পরিচালনা করে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।

সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সাথে একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্র জড়িত আছে মর্মে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়। এই চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More