আপনারা যদি পলিথিন ও প্লাস্টিক পানির বোতল বর্জন করতে পারেন তবে সবাই পাট জাত পণ্য ব্যবহার করতে পারবে। এই যে পলিথিন ও প্লাস্টিক বোতল এগুলার বিরুদ্ধে কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এমন মন্তব্য করেছেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বুধবার (২৭ আগষ্ট) মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার মেদুলিয়া এলাকায় ফারমার্স মিনি কোল্ডস্টোরজ হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন ,পলিথিন ও প্লাস্টিকের পানির বোতল বর্জন করবেন, আগে দেখেছেন চটের ব্যাগ ব্যবহার করত বাপ দাদারা ওইরকম আপনারাও করবেন দেখবেন আমাদের কৃষিরও উন্নতি হবে এবং পরিবেশবান্ধব জিনিস হবে।
কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশে অঞ্চলভিত্তিক একেক ধরনের ফসল বেশি উৎপাদন হয়। আপনাদের এখানে (মানিকগঞ্জ) গাজরের চাষাবাদ বেশি হয়। আমরা এই প্রকল্পের আওতায় প্রথমে ১০০ টি ফারমারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ করবো। পর্যায়ক্রমে যেসব অঞ্চলে বেশি ফসল ও সবজি উৎপাদন হয় সেখানে এই কোল্ড স্টোরেজ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘এই কোল্ড স্টোরেজের মাধ্যমে কৃষক ও ভোক্তা উভয়ই উপকৃত হবেন। যখন সবজির দাম বাজারে কম থাকবে তখন কৃষক ওই সবজি এখানে কোল্ড স্টোরেজ করে রাখতে পারবেন। এবং বাজারে যখন সবজির দাম বেড়ে যাবে তখন ওই কৃষক পাঁচ টাকার ফুলকপি ৩০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। ওই সময় ভোক্তা কিন্তু ৫০ টাকার সেই ফুলকপি ২০ টাকা কমে কিনতে পারবেন। এজন্য এটি অবশ্যই কৃষক ও ভোক্তার সুবিধা বয়ে আনবে।
এ সময় অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, মহাপরিচালক (কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর) মো. ছাইফুল আলম, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, ফারমারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ প্রকল্পের পরিচালক তালহা জুবাইর মাসরুর, জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা, পুলিশ সুপার মোছাম্মৎ ইয়াসমিন খাতুন, জেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. রবীআহ নূরসহ জেলা ও উপজেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।