পর্যটকদের পদচারণে মুখরিত হয়ে উঠেছে কুয়াকাটা সৈকত। অনেকে সমুদ্রের নোনা জলে গা ভাসিয়ে হইহুল্লোড়ে মেতেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, শুটকি পল্লী, গঙ্গামতি, চর গঙ্গামতি ও কাঁকড়ার চরসহ সকল পর্যটন স্পটে রয়েছে পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতি। এছাড়া সৈকতের জিরো পয়েন্ট পর্যটকে টইটুম্বুর হয়ে উঠেছে। সরকারী টানা ৯ দিনের ছুটি উপলক্ষে ঈদ উৎসব উদযাপনে এসকল পর্যটকের আগমন ঘটে। আগত পর্যটকরা সৈকতে আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতেছেন। কেউ নোনা জলে গাঁ ভাসিয়ে হইহুল্লোর করছেন, কেউ ফুটবল কিংবা সৈকতের বালু নিয়ে খেলায় মেতেছেন।
কেউবা আবার বিভিন্ন বাহনে চরে সৈকত ঘুরে দেখছেন। অনেকে বেঞ্চবতে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। পর্যটকদের ভিড়ে বিক্রি বেড়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট দোকানগুলোতে। উচ্ছসিত রয়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ১৬টি পেশার সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা। বুকিং রয়েছে শতভাগ হোটেলের মোটেল। পর্যটকদের নিরাপত্তায় মাঠে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ–পুলিশ ও থানা পুলিশ।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে ঈদের ছুটিতে আমরা বিভিন্ন পয়েন্টে ছয়টি টিম নিয়োজিত করেছি। ছুটির দিনগুলোতে বিশেষ করে কুয়াকাটায় পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ে। তাই তাদের সেবায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে।’