গাজীপুরে ঢাকা–টাঙ্গাইল ও ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে সকাল থেকেই যাত্রী ও গণপরিবহনের চাপ বেড়েছে। যানজট না থাকলেও ধীরগতিতে চলছে যানবাহন।
পুলিশ বলছে, আজ দুপুর পর গাজীপুরে দ্বিতীয় ধাপে শিল্প প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হবে। এতে দুই মহাসড়কে আরো বেশি চাপ বাড়বে।
এদিকে কাউন্টারগুলো বন্ধ রাখার কারণে যাত্রীরা পড়েছে চরম দুর্ভোগে। বরাবরের মত এবারও যাত্রীদের কাছে থেকে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকার যাত্রীদের কাছ থেকে স্বাভাবিক ভাড়ার কথা বললেও চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে।
মহাসড়কে গাড়ির চাপ বাড়ার কারণে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গাড়িগুলো চন্দ্রা আসতে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা সময় লাগছে। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে দুই মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ৪ শতাধিক অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে, তেল সিন্ডিকেটের কৃত্রিম সঙ্কটের কারণে যাত্রা পথে পরিবহন চলাচলে বিঘ্নিত হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে বলে চালকরা জানিয়েছে ।