৩ দিন পর বুধবার (৯ আগস্ট) দুপুর থেকে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার ও বান্দরবান রুটে সড়ক পথে যান চলাচল। তবে এখনও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ পার্বত্য অঞ্চলের বিস্তীর্ন এলাকা প্লাবিত রয়েছে। বন্ধ রয়েছে এসব এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সাজেকে আটকা পড়েছেন ৪ শতাধিক পর্যটক।
ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিন পার্বত্য অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয় নি। এখনও তলিয়ে আছে বহু সড়ক। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়।
রাঙ্গামাটিতে বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় নতুন করে পরিস্থিতির অবনতি হয়নি। তবে বান্দরবানে দুপুরের পর থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে।
খাগড়াছড়িতে দীঘিনালার কবাখালি, বাঘাইহাট ও মাচালং বাজার সড়ক ডুবে যাওয়ায়, সাজেকে যাতায়াতের পথও বন্ধ রয়েছে। পানিবন্দি অবস্থায় আছেন জেলার জুরাছড়ি, বরকল, বাঘাইছড়ি ও বিলাইছড়ির অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার একর ফসলী জমি।
খাগড়াছড়ি সদরের কমলছড়ি নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে ফেরার সময় পাইলট পাড়া এলাকায় বন্যার স্রোতে ভেসে যায় অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরী দল এসে সন্ধ্যায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।
কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। জেলার চকরিয়া, পেকুয়া, রামু ও সদর উপজেলার ২৫টি ইউনিয়নের প্রায় তিনশ গ্রামে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। তবে কিছু এলাকা এখনও প্লাবিত রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাহাড়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
এদিকে, নতুন করে আর বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, চট্টগ্রামের বন্যা দুর্গত বিভিন্ন উপজেলায় সহায়তা হিসেবে মোট ৭০ লাখ টাকা, ১০০ মেট্রিক টন চাল ও শুকনো খাবারের ২১ হাজার প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আল/দীপ্ত সংবাদ