চট্টগ্রামের নারীরা বিভিন্ন পেশায় এগিয়ে যাচ্ছেন। পুরুষদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন তারা। প্রেক্ষাপট ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের কারণে কর্মক্ষেত্র আগের চেয়ে মসৃণ হয়েছে বলে মনে করছেন চাকরিজীবী নারীরা।
ফেরদৌস লিপি চট্টগ্রামের মাঠ কাঁপানো নারী সাংবাদিকদের একজন। পুরুষের সঙ্গে সমান তালে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
চট্টগ্রামের সংবাদকর্মী ফেরদৌস লিপি মন্তব্য করেন, সাংবাদিকতায় মেয়েদের আসলে দুইভাবে প্রমাণ করতে হয় সে যে পিছিয়ে নেই এটা বোঝাতে হয় এবং আবার সে যে সবচেয়ে ভাল রির্পোটার এটা ও বোঝাতে হয়। যেমন মেয়েদের সংগ্রামটাও তেমন বাস্তবতাও আছে। মেয়েদের আসলে আটকে রাখা সম্ভব নয়।
কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে নির্ভীক হতে হয় নারীকে। সেটা সংবাদ মাধ্যম হোক কিংবা চিকিৎসাখাত। সেজন্য দরকার উন্নত ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ।
চিকিৎসক আয়েশা মর্তুজা বলেন, আসলে কাজের পরিবেশটা নারী বান্ধব হয়েছে এজন্যই চ্যালেনজিং বিষয়ে নারীরা বেশি অংশগ্রহণ করছেন।
একটা সময় ছিল যখন শিক্ষকতা পেশাকে বেছে নিত বেশিরভাগ নারী। তবে বর্তমানে স্বামী–সন্তান–সংসার সামলিয়ে সরকারি বা বেসরকারি চাকরিতে নারীদের উপস্থিতি বাড়ছে।
চট্টগ্রাম সিটি ব্যাংকের নবরুপা ধর চৌধুরী কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার বলেন, তারপরও নারীরা বিভিন্ন সমস্যায় পরে কিন্তু সেই শক্তিটা আছে বলেই নারীরা এখান থেকে বের হতে পারছে।
অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও আত্মবিশ্বাস থাকলে, যেকোন পেশাতেই নারীর অংশগ্রহণ বাড়বে বলে মনে করেন তারা।
যূথী/দীপ্ত সংবাদ