গাজা উপত্যকার ‘লাইফ লাইন’ নামে পরিচিত রাফাহ ক্রসিং খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইসরায়েল সামরিক বাহিনী অঙ্গসংস্থা এবং গাজা উপত্যকার ত্রাণ সরবরাহ সমন্বয়কারী কো–অর্ডিনেশন অব গভর্নমেন্ট অ্যাক্টিভিটিজ অ্যান্ড টেরিটোরিজ (কোগাট)।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে রাফাহ ক্রসিং খুলে দেওয়া হচ্ছে। আপাতত পাইলট আকারে এই ক্রসিং দিয়ে লোক চলাচলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রতিদিন এই ক্রসিং দিয়ে গাজা ত্যাগ করতে পারবে সর্বোচ্চ ১৫০ জন এবং প্রবেশ করতে পারবে সর্বোচ্চ ৫০ জন।”
কোগাট আরও জানায়, ‘সোমবার থেকে রাফাহ ক্রসিং দিয়ে যারা যাওয়া–আসা করবেন, তাদের কঠোর নিরাপত্তা চেকিংয়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।‘
রাফাহ হলো গাজা উপত্যকার একমাত্র সীমান্ত ক্রসিং, যা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এই ক্রসিংয়ের একপাশে গাজা, অপর পাশে মিসরের সিনাই উপত্যকা।
হামাস–ইসরায়েল যুদ্ধের আগ পর্যন্ত ফিলিস্তিন, মিসর ও ইসরায়েল সরকার সমন্বিতভাবে এই ক্রসিং ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল। গাজায় ত্রাণ সরবরাহের অধিকাংশই আসত রাফাহ ক্রসিং দিয়ে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল ভূখণ্ডে হামাসের হামলা এবং সেই হামলার জবাবে ৮ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানের পর থেকে রাফাহ ক্রসিংয়ে নিরাপত্তা কঠোর করা হয়। পরে ২০২৪ সালের মে মাসে রাফাহ ক্রসিং পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল।
উল্লেখ্য, গাজায় বর্তমানে ২২ হাজারেরও বেশি আহত এবং অসুস্থ ফিলিস্তিনি আছেন, যাদের জরুরিভিত্তিতে চিকিৎসার জন্য গাজার বাইরে যাওয়া প্রয়োজন। এই রোগীদের একমাত্র ভরসা এই রাফাহ ক্রসিং।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আলজাজিরা