জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। ১৯৭১ সালে মেজর জিয়াউর রহমান যেমন জীবন ও পরিবারের ঝুঁকি নিয়ে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। সেই সাহসী ও সংগ্রামী বীরের সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়াও একইভাবে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অ্যাকাডেমিক ভবনের সিনেট হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একজন মানুষের জীবন কতটা আপসহীন সংগ্রামী হতে পারে, বেগম খালেদা জিয়া তার সর্বোচ্চ উদাহরণ। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ হিসেবে আমাদের_সম্মান রক্ষা করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর জীবন ও আদর্শ থেকে কিছুটা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারলে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে।
প্রফেসর আমানুল্লাহ বলেন, আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসিবাদের রাজনীতির বিপক্ষের সোচ্চার কন্ঠ, গণতন্ত্রের মানসকন্যা,তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন পরম শ্রদ্ধার ও ভালবাসার প্রতীক।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আপোষহীন সংগ্রামী নেত্রী। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর নাম দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান ও প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড.মো.জাফরুল আযম,বক্তব্য রাখেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র সমন্বয় দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নাজিম উদ্দিন শিশিমের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল হোসেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এনামুল করিম স্নাতকোত্তর শিক্ষা,প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর ড. আশেক কবির চৌধুরী,সাবেক ডিন প্রফেসর ড. ফকির রফিকুল আলম,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা মো.আকরাম হোসেন, সরদার নুরুজ্জামান খান, মাসুদুর রহমান, রবিউল ইসলাম, মো. মোস্তাফিজুর রহমান,ইয়াকুব মিয়া ও আলমগীর হোসেন সরকার।
স্মরণ সভার শুরুতে সদ্য প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবনের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদশন করা হয়।
এরপর শোক প্রস্তাব পাঠ করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।