অদৃশ্য এক কাগজের মাধ্যমে ব্যবসা চলে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে। যেটিকে বলা হয় ডিও বা ডেলিভারি অর্ডার স্লিপ। এ পদ্ধতিতে একটি পণ্যের মূল্য ১০টির বেশি হাত ঘুরতে ঘুরতে বেড়ে যায় বহুগুণ। সেই ডিও ব্যবসার সোনামিয়া মার্কেটে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে গেলে কারসাজি লুকাতে দোকানের লাইট ও সাটার বন্ধ করে ভূতুড়ে পরিবেশ সৃষ্টি করে দোকানিরা।
নিজেদের গোপনীয়তা রক্ষায় এমন প্রতারণা আশ্রয় নেয় ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের সোনা মিয়া মার্কেটের ডিও ব্যবসায়ীরা।
নির্বাহী হাকিম ওমর ফারুক বলছেন, অদৃশ্যভাবে চলে এ ব্যবসা। ডিও বা ডেলিভারি অর্ডার বিভিন্ন হাত ঘুরতে ঘুতেই বেড়ে যায় পণ্যের আকাশ ছোঁয়া দাম। এসময় ডিও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়। অভিযানে বাজার অস্থিরতার পেছনে ডিও সম্পৃক্ততার আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান নির্বাহী হাকিম।
রবিবার (২১ মে) দুপুরে খাতুনগঞ্জে অভিযান চালিয়ে মূল্য তালিকা না থাকা ও দামবিহীন রশিদে পেঁয়াজ বিক্রি করায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পেঁয়াজের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ১৫ টাকা বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা বলছেন দ্রুত সময়ে আমদানি না করলে এর দাম আরো বাড়তে পারে, তবে হুট করে এলসি খুলে পেঁয়াজ আমদানি করলে পাইকারি ব্যবসয়ীরা বড় লোকসানে পড়বেন।
এদিকে খাতুনগঞ্জের ডিও ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্তভোগীদের কারসাজি চিহ্নিত করতে তাদের তালিকা করা হচ্ছে বলে জানান নির্বাহী হাকিম।
রুনা আনসারী/এমি/দীপ্ত নিউজ