পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালিয়েছে ভারত।
শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় পূর্ব ভারতে ওড়িশা উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে এ পরীক্ষা চালানো হয়। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এবং বিমানবাহিনী যৌথ তত্ত্বাবধানে এ পরীক্ষা পরিচালিত হয়।
ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই পরীক্ষার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়া না হলেও বঙ্গোপসাগরে আগে থেকেই ‘নোটাম’ (নোটিশ টু এয়ারম্যান) জারি করা হয়েছিল।
এদিকে, শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার আকাশে একটি ‘রহস্যজনক আলো’ ছুটতে দেখা যায়, যা দেখতে অনেকটা ক্ষেপণাস্ত্রের মতো। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পিরোজপুর, মাদারীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় মিসাইল উৎক্ষেপণের মতো এ দৃশ্য দেখা গেছে। যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনার সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে ১২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি রয়েছে। রাশিয়ার ‘আরএস–২৮ সারমাট’ এবং চীনের ‘ডিএফ–৪১’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১২ থেকে ১৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত। এছাড়া ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কাছেও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি রয়েছে।
ভারত যদি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে পুরোপুরি সাফল্য পায়, তবে বিশ্বের প্রায় যেকোনো প্রান্ত এই ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে।
এসএ