সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২৬
সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২৬

‘কানো-বিএসটিকিউএম কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’ পেল হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
‘কানো-বিএসটিকিউএম কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’ পেল হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস

দেশে প্রথমবারের মতো গুণগত মান ও ব্যবস্থাপনায় উৎকর্ষতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘কানো-বিএসটিকিউএম কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড (KBQA)’ প্রদান করা হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল বলরুমে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রথম বিজয়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (বিএসটিকিউএম) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (TQM) দর্শনের বিশ্বখ্যাত কিংবদন্তি এবং টোকিও ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্সের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. নোরিয়াকি কানো। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি তুলে দেন।

হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি ও সিইও মুহাম্মদ হালিমুজ্জামান। এ সময় প্রতিষ্ঠানের ওপর একটি বিশেষ ভিডিওচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান ও কুয়েটের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. এহসানুল হক।

জাপানের সম্মানজনক ‘ডেমিং প্রাইজ’ বা ‘সিঙ্গাপুর কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’-এর আদলে প্রবর্তিত এই পুরস্কারের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত কঠোর ও নিরপেক্ষ।

বিএসটিকিউএম-এর সভাপতি এ কে এম শামসুল হুদা জানান, দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে এই অ্যাওয়ার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। লিড অ্যাসেসর ইঞ্জিনিয়ার এ এম এম খাইরুল বাশার অনুষ্ঠানে মূল্যায়ন প্রতিবেদন পেশ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ন্যাশনাল স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. আমেনা বেগমসহ বিএসটিকিউএম-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত একটি বিশেষ এক্সিকিউটিভ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। “TQM and Achieving Operationৃal Excellence” শীর্ষক এই সেমিনারটি পরিচালনা করেন কানো মডেলের উদ্ভাবক ও টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. নোরিয়াকি কানো। এতে দেশের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ও মধ্যম পর্যায়ের শতাধিক ব্যবস্থাপক অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More