প্রিসাইডিং অফিসারসহ ৩ শ্রেণির কর্মকর্তা ব্যতীত ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত, অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত— বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।
পোস্টে হাসনাত লিখেন, ‘ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এমনকি কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও এলাউড না। এটা স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছে থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।’
তিনি লিখেন,‘ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে না যাওয়ার কোনো লজিক নেই। এমনটা আগে কখনো দেখিনি। এটার মানে কোনো বিপদ হইলেও কল করে কাউকে জানানো যাবে না। অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না।’
এনসিপি এ নেতা আরও লিখেন, ‘সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিক কোনো কাজে দিবে না। মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবে, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবে তা ক্যামেরা পারবে না।’
“কেন্দ্র দখল–ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত ফোন কার্যকর হবে। সাথে সাথেই ভিডিও রেকর্ড হয়ে যাবে। হয়ত এসব জালিয়াতির ভিডিও কেউ করতে না পারে সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এটা সুস্পষ্টভাবে ভোট চুরির সুযোগ করে দেয়া। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।”
এর আগে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রিসাইডিং অফিসারসহ ৩ ধরনের ব্যক্তি ছাড়া ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসি সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহীদুল ইসলাম সই করা এই সংক্রান্ত চিঠি সারাদেশ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।
এসএ