সকলের সহযোগিতা ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত নারীরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না। এমনই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেসরকারি সংস্থা একশন এইডের সহায়তায় রাজধানীতে গড়ে উঠেছে–হ্যাপি হোম। যেখানে আশ্রয় মিলেছে সমাজের অসংখ্য সুবিধা বঞ্চিত কন্যা শিশুদের।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী নীলা আক্তার। ঝিনাইদহে নিজ ভিটামাটি থাকতেও আশ্রয় নিতে হয়েছে অ্যাকশন এইডের হ্যাপি হোমে। এখানে থেকেই সে পেয়েছে লেখাপড়ার সুযোগ সহ সার্বিক আশ্রয়।
আন্তর্জাতিক বেসরকারি সহায্য সংস্থা অ্যাকশন এইড স্থাপিত রাজধানীর মোহাম্মদপুরের এই হ্যাপি হোমে আশ্রয় পেয়েছে নীলার মতো আরও অনেক শিশু। এদের কেউ পথশিশু, কেউ বাল্যবিবাহ থেকে বাঁচতে এখানে এসেছে, আবার কেউ অনাথ।
হ্যাপি হোমের অন্যতম বৈশিষ্ট এখানকার সবাই কন্যা শিশু। শিক্ষক থেকে শুরু করে নিরাপত্তাকর্মীরাও নারী। এখানকার শিক্ষকরাও একনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছেন মেয়েদের বিকাশে।
হাজারো প্রাণবন্ত হাসিগুলো বাঁচিয়ে রাখতে যে মানুষটি সেই ২০০৬ সাল থেকে নিরলসভাবে কাজ করেছেন তিনি জানান, দারিদ্র্যের কাছে নারীরা যেন মাথা নত না করে সেটা ছিল লক্ষ্য।
সকল বাধা অতিক্রম করে সমাজের প্রতিনিধিত্ব করা হ্যাপি হোমের নারীদের সহায়তায় প্রশাসনসহ সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।
আল/ দীপ্ত সংবাদ