উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আসরে, এক যুগেরও বেশি সময় পর রিয়াল মাদ্রিদকে হারালো বায়ার্ন মিউনিখ। সান্তিয়াগো বার্ন্যাব্যুতে, কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ২–১ গোল ব্যবধানে জিতেছে জার্মানির ক্লাবটি।
ম্যাচের বয়সটা তখন ৭৪ মিনিট। জোড়া গোল ব্যবধানে নিশ্চিত পরাজয়ের দিকেই যাচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের খেলা। লুইস দিয়াস ও হ্যারি কেইনের গোলে ম্যাচের পুরো নিয়ন্ত্রণটা জার্মানির ক্লাব বার্য়ান মিউনিখের হাতে। অনেক ব্যর্থতার পর, কিলিয়ান এমবাপ্পের সাফল্যে যেন ঘুমন্ত এক শহর জেগে ওঠে।
ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাসে রিয়াল মাদ্রিদও বারবার আক্রমণে উঠতে থাকে। ভিনিসিউস–এমবাপ্পের প্রতিটি শটে বাড়ছিলো গ্যালারির সাদা অংশের গর্জন। সুযোগ পেয়ে যান জামাল মুসিয়ালা, কিন্তু তার দুর্বল শট লক্ষ্যে থাকেনি। তাতে ২–১ গোল ব্যবধানের পরাজয় নিয়ে, অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনা জয়ের আশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
এককথায় বললে পুরো ম্যাচের ফারাকটা গড়ে দেন সবেই চল্লিশ পাড় করা গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়ারা। তার ক্ষিপ্র হাতটা এখনো যে দমে যায়নি তা আবারো দেখলো সান্তিয়াগো বার্ন্যাবু‘র দর্শকরা। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের খেলায় অতিথিদের মাঠে করলেন দারুণ সব সেভ।
বিরতির আগে–পরে দারুণ দুই গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বায়ার্ন মিউনিখ। শেষদিকে ব্যবধান কমাতে পারলেও, ঘরের মাঠে হার এড়াতে পারেনি টুর্নামেন্টের ১৫বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। এক যুগেরও বেশি সময় পর রিয়ালের বিপক্ষে জয়ের দেখা পেলো বায়ার্ন। এর আগে ২০১১–১২ মৌসুমের জয়টি ছিলো তাদের সবশেষ সাফল্য।
মোহাম্মদ হাসিব