শনিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
শনিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৬

ইশতেহার ঘোষণা করলেন ডা. তাসনিম জারা

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিজ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন ডা. তাসনিম জারা।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা(খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিজ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন ডা. তাসনিম জারা।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকালে নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ ইশতেহার প্রকাশ করেন।

দীপ্ত নিউজপাঠকদের জন্য ডা. তাসনিম জারার পোস্টটি তুলে ধরা হলো

ঢাকা৯ এই শহরের প্রাণ, অথচ আমাদের সাথেই বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়। আমরা গুলশানবনানীর সমান ট্যাক্স দেই, সমান বিল দেই, কিন্তু সেবা পাই তৃতীয় শ্রেণীর। ভোটের সময় নেতারা আসেন, ভোট নেন, তারপর উধাও হয়ে যান। রাষ্ট্র আমাদের কেবল রাজস্ব আদায়ের উৎসমনে করে। টাকা নেওয়ার সময় আছেন, কিন্তু সেবা দেওয়ার সময় নেই।

আমি পেশাদার রাজনীতিবিদ নই, আমি এই এলাকার মেয়ে। আমার কথা পরিষ্কার: ঢাকা ৯কে অবহেলার দিন শেষ। আমরা সমান ট্যাক্স দেই, আমাদের অধিকারও সমান। আমাদের ন্যায্য পাওনা এবার আমরা বুঝে নিবো।

 

. গ্যাস, রাস্তা ও জলাবদ্ধতা: বাসযোগ্য ঢাকা৯ চাই

সমস্যা: প্রতি মাসে আমরা গ্যাসের জন্য বিল দিচ্ছি। কিন্তু চুলা জ্বালালে কী বের হয়? বাতাস। গ্যাস নেই, কিন্তু বিল ঠিকই দিতে হচ্ছে। এটা একধরনের প্রতারণা। এর সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে আমাদের জিম্মি করে ফেলে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য অব্যবস্থাপনা। যত্রতত্র ময়লা ফেলার কারণে বাসার পাশে ও রাস্তায় দুর্গন্ধে টেকা দায়। রাস্তাগুলো বছরের পর বছর ভাঙ্গাচোরা বা কাজ চলমান অবস্থায় পড়ে থাকে।

সমাধান:

) ন্যায্য বিল: সংসদে আমার প্রথম কাজ হবে সেবা না দিলে বিল নেই” (No Service, No Bill) নীতির জন্য খসড়া আইন প্রস্তাব করা এবং চাপ সৃষ্টি করা। তিতাস যদি গ্যাস দিতে না পারে, তারা টাকা নিতে পারবে না। গ্যাস না থাকলে মাসিক বিল মওকুফ করার প্রস্তাব থাকবে এই বিলে।

) সিন্ডিকেট ভাঙবো: পাইপলাইন গ্যাসের ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরকারকে এই এলাকায় ভর্তুকি মূল্যে বা ন্যায্যদামে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাধ্য করব। সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে চাপ দেব।

) জলাবদ্ধতা নিরসন: ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বর্ষার আগেই খাল ও নর্দমা পরিষ্কার নিশ্চিত করতে আমি ওয়াসা ও সিটি কর্পোরেশনের ওপর কঠোর নজরদারি রাখব।

) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পার্ক: ঘরের সামনে বা রাস্তায় ময়লার স্তূপ জমতে দেওয়া হবে না। আধুনিক বর্জ্য অপসারণ (Secondary Transfer Station) ব্যাবস্থা নিশ্চিত করতে ও এলাকার পার্কগুলোতে হাঁটার পরিবেশ উন্নত করতে সিটি কর্পোরেশন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয়ে কাজ করবো।

) সমন্বয় ও জবাবদিহিতা: রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখা চলবে না। ওয়াসা বা সিটি কর্পোরেশন, যেই রাস্তা কাটবে, কাজ শেষ করার নির্দিষ্ট ডেডলাইনথাকবে। ডেডলাইন মিস করলে ঠিকাদারকে জরিমানা গুনতে হবে।

 

. স্বাস্থ্য: চিকিৎসায় অবহেলা আর মানব না

সমস্যা: ঢাকা৯ এলাকায় আমরা ৭৮ লাখ মানুষ বাস করি, অথচ আমাদের জন্য বড় হাসপাতাল মাত্র একটি, মুগদা মেডিক্যাল। এটা একটা নিষ্ঠুর কৌতুক। ৫০০ বেডের এই হাসপাতালে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ডাক্তারনার্সরা অমানবিক চাপে কাজ করছেন, আর রোগীরা সেবা না পেয়ে ধুঁকছেন। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো ডেঙ্গু। প্রতি বছর বর্ষা এলেই লোক দেখানো মশার ওষুধ ছিটানো হয়, অথচ আমাদের প্রিয়জনরা মারা যায়।

সমাধান: একজন ডাক্তারের হাতেই সমাধান হবে ঢাকা৯ এর স্বাস্থ্য সমস্যা। আমি একজন ডাক্তার। আমার দেশবিদেশে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে আমি এই সমস্যা সমাধানে কাজ করবো।

) মুগদা হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি সচল রাখতে আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করব এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহিতার আওতায় আনব। এটি যেন একটি আদর্শ সেবাকেন্দ্র হয়, সেই উদ্যোগ আমি নেব।

) কমিউনিটি ক্লিনিক হবে মিনিহাসপাতাল‘: পাড়ার ক্লিনিকগুলোকে আধুনিকায়নে বিশেষ বরাদ্দ আনার উদ্যোগ নেব, যাতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বড় হাসপাতালে ছুটতে না হয়।

) ডেঙ্গু টাস্কফোর্স (সারা বছর): বৃষ্টি আসার পর ওষুধ ছিটিয়ে লাভ নেই। আমরা একটি স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াডগঠন করবো যারা সারা বছর ড্রেন পরিষ্কার ও লার্ভা নিধনের কাজ করবে। ডেঙ্গু মৌসুম আসার আগেই আমরা মশা মারব।

) নারী স্বাস্থ্য: গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এবং হাসপাতাল ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারীবান্ধব টয়লেট ও ব্রেস্টফিডিং নিশ্চিত করতে কাজ করবো।

 

. নিরাপত্তা: মাদক সিন্ডিকেট হটিয়ে রাস্তা হবে জনগণের

সমস্যা: আমাদের এলাকার রাস্তাঘাট এখন সাধারণ মানুষের নেই, চলে গেছে মাদক সিন্ডিকেটের দখলে। সন্ধ্যার পর খিলগাঁও বা বাসাবোর অলিগলি দিয়ে মাবোনেরা হাঁটতে ভয় পান। যে শহর নারীকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, সে শহর উন্নত হতে পারে না। আমরা ট্যাক্স দিই রাস্তার বাতির জন্য, আর সেই বাতি নষ্ট থাকে যাতে অপরাধীরা অন্ধকারে রাজত্ব করতে পারে।

সমাধান:

) ‘নিরাপদ করিডোর’: স্কুল, কলেজ এবং গার্মেন্টসের রাস্তায় আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সিসি ক্যামেরা এবং উচ্চক্ষমতার ল্যাম্পপোস্ট বসাব। অন্ধকার রাস্তা মানেই অপরাধের আখড়া। আমি ঢাকা৯ এর কোনো কোণা অন্ধকার থাকতে দেব না।

) মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: মাদকাসক্তদের আমরা ঘৃণা করব না, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। কিন্তু যারা মাদক ব্যবসা করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে, তাদের আমরা এক বিন্দু ছাড় দেব না। প্রশাসনকে সাথে নিয়ে এলাকা মাদকব্যবসায়ী মুক্ত করব।

) নারীবান্ধব পরিবহন: বাসে নারীদের সিট পাওয়া যুদ্ধজয়ের মতো। আমি পরিবহন মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের সাথে বসে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যাবস্থা তৈরি করব।

 

. শিক্ষা: আমাদের সন্তানদের নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা বন্ধ হোক

সমস্যা: অপরিকল্পিত কারিকুলাম আর ঘন ঘন নীতি পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের গিনিপিগবানিয়ে ফেলেছে। তার ওপর আছে স্কুলের ভর্তি বাণিজ্য। টাকা বা সুপারিশ ছাড়া ভালো স্কুলে ভর্তি হওয়া যায় না। এই দুর্নীতি আমাদের মেধাবী সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছে।

সমাধান: আমি বিশ্বমানের শিক্ষা লাভ করার সুযোগ পেয়েছি। আমি চাই আমার এলাকার প্রতিটি সন্তান যেন বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ পায়। তা নিশ্চিত করার জন‍্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

) এমপির কোনো কোটা থাকবে না: আমি কথা দিচ্ছি, স্কুল ভর্তিতে এমপির কোনো সুপারিশ বা কোটা থাকবে না। ভর্তি বাণিজ্য আমি কঠোর হাতে দমন করব। মেধা ও স্বচ্ছতাই হবে একমাত্র যোগ্যতা।

) স্কুল হবে ল্যাবরেটরি: আমার বরাদ্দের টাকা দিয়ে আমি স্কুলগুলোতে আধুনিক সায়েন্স ল্যাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব এবং কোডিং শেখানোর ব্যবস্থা করব। এতে আমাদের ছেলেমেয়েরা ফ্রিল্যান্সিং বা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে পারবে। প্রত্যেকটি স্কুলে লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে যাতে আমাদের শিশু কিশোরদের মানসিক বিকাশ যথাযথভাবে ঘটে।

) স্মার্ট প্রজন্ম: শুধু বইয়ের পড়া নয়, মানসিক স্বাস্থ্য, সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শেখার ওপর জোর দেব। আমাদের তরুণরা যেন বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করার উপযুক্ত হয়ে গড়ে উঠতে পারে।

) অভিভাবকশিক্ষক ফোরাম: শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য সংসদে লড়ব। একই সাথে, স্কুলে বুলিং বা হয়রানি বন্ধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করব। স্কুলগুলোতে যেন অভিভাবকশিক্ষক ফোরাম তৈরি হয় এবং তা যথাযথ ভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত করব।

 

. অর্থনীতি ও জীবিকা: মেধা আমাদের সবার, সুযোগ কেন কেবল ধনীদের?

সমস্যা: আমাদের অনেক তরুণতরুণীরা বেকার, কারণ সিস্টেম তাদের পক্ষে নেই। তাদের মেধা আছে, কিন্তু পুঁজি নেই। রাষ্ট্র কেবল বড় শিল্পপতিদের ঋণ মওকুফ করে, কিন্তু আমাদের ছোট ব্যবসায়ী বা নতুন উদ্যোক্তারা ব্যাংকের বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে যায়। আমাদের মায়েরা কাজ করতে চান, কিন্তু ডেকেয়ার সেন্টার না থাকায় সন্তানকে ঘরে রেখে তারা কাজে যেতে পারেন

না। এটা অর্থনীতির ব্যর্থতা।

সমাধান:

) ‘স্টার্টআপ ঢাকা৯’ ফান্ড: আমি এমপি হলে আমার বিশেষ বরাদ্দ থেকে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সিডিং ফান্ডবা প্রাথমিক পুঁজির ব্যবস্থা করব। জামানত ছাড়া সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার জন্য আমি ব্যাংকের সাথে লড়াই করব।

) কর্মজীবী মায়েদের মুক্তি: প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকারি খরচে বা ভর্তুকি দিয়ে ‘কমিউনিটি ডেকেয়ার সেন্টার’ চালু করব। যাতে মায়েরা নিশ্চিন্তে কাজে যেতে পারেন।

) শ্রমিকের মর্যাদা: গৃহকর্মী থেকে শুরু করে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক, সবার জন্য ‘ন্যায্য মজুরি’ ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমি সংসদে কথা বলব। কেউ যেন তাদের দুর্বলতার সুযোগ না নিতে পারে।

) স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য ইকমার্স প্রশিক্ষণ ও অনলাইন মার্কেট অ্যাক্সেস নিশ্চিত করবো। যেন তারা শুধু দোকানে নয়, মোবাইলেও ব্যবসা করতে পারেন। আরও বেশী কাস্টোমারকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

 

. এমপির জবাবদিহিতা: আমি অতিথি পাখিনই, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে

সমস্যা: ভোটের আগে নেতারা পায়ে ধরেন, আর ভোটের পরে তাদের টিকিটিও দেখা যায় না। এমপি সাহেব থাকেন গুলশানে বা সংসদে, আর আপনারা থাকেন সমস্যায়। এমপিকে পাওয়া যেন ভাগ্যের ব্যাপার। এই সংস্কৃতি আর কতদিন?

সমাধান:

) এলাকায় স্থায়ী কার্যালয়: আমি নির্বাচিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে এলাকার প্রাণকেন্দ্রে আমার স্থায়ী অফিস চালু করব। কর্মজীবীদের সুবিধার্থে এটি সন্ধ্যায়ও খোলা থাকবে। আমি এবং আমার অফিসের স্টাফরা আপনাদের জানানো সমস্ত সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করবো।

) ওপেন ড্যাশবোর্ড: আপনার অভিযোগ কোনো ফাইলে চাপা পড়ে থাকবে না। আমরা ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড করব, যেখানে আপনারা দেখতে পাবেন আপনার অভিযোগের বর্তমান অবস্থা কী।

) কোনো প্রটোকল নয়: আমাদের সাথে কথা বলতে কোনো ভাইবা নেতাধরার প্রয়োজন পড়বে না।

আমার এলাকাবাসী, আপনাদেরকে একটা কথা বিশেষভাবে বলতে চাই। আমি কোনো পেশাদার রাজনীতিবিদ নই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছভাবে রাজনীতি করার ও দেশ গড়ার একটা সুযোগ এসেছে তাই রাজনীতিতে এসেছি। আমার এই ইশতেহার কোনো গতানুগতিক ফাঁকা বুলিনয়। এটি আপনাদের সাথে আমার চুক্তি। আমি যা লিখেছি, তা কীভাবে বাস্তবায়ন করব, সেই পরিকল্পনা করেই মাঠে নেমেছি।

আপনারা অনেক নেতা দেখেছেন, অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছেন। এবার একজন ডাক্তারকে সুযোগ দিন, যে ডাক্তার জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা, যে ডাক্তার কথা রাখে, যে ডাক্তার বিপদে পাশে এসে দাঁড়ায়। এমন একজন শিক্ষিত সন্তানকে সুযোগ দিন, যে আপনাদের মাথা নত হতে দেবে না। ঢাকা ৯ এর ভাগ্য বদলাতে, গ্যাসপানির অধিকার আদায় করতে এবং মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে, আসন্ন নির্বাচনে ‘ফুটবল’ মার্কায় ভোট দিন।

আপনারা আমার শক্তি হোন, আমি আপনাদের কণ্ঠস্বর হব। বিজয় আমাদের হবেই, ইনশাআল্লাহ।

 

এসএ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More