গতকাল মঙ্গলবার ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকার একটি নার্সিং হোমে ১১৮ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। খবর আল–জাজিরার।
১৯০৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে লুসিল হান্দোঁর জন্ম হয়। তিনি সিস্টার আন্দ্রেঁ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হান্দোঁ যে বছর জন্মগ্রহণ করেন, তখন নিউইয়র্ক সবে তাদের প্রথম সাবওয়ের উদ্বোধন করেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছে আরও এক দশক পরে।
গতকাল লুসিল হান্দোঁ টুলোনে তাঁর নার্সিং হোমে ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যান। নার্সিং হোমের মুখপাত্র ডেভিড টাভেলা খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
ডেভিড টাভেলা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা…তবে তিনি খুব করে তাঁর প্রয়াত ভাইয়ের কাছে ফিরে যেতে চাইতেন। তিনি মনে করতেন, এতে মুক্তি মিলবে।’
প্রোটেস্ট্যান্ট পরিবারে বেড়ে ওঠা লুসিল হান্দোঁ ছিলেন তিন ভাইয়ের একমাত্র বোন। ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর অ্যালেসে থাকতেন তাঁরা।
১১৬তম জন্মদিনে এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লুসিল হান্দোঁ বলেছিলেন, ১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দুই ভাইয়ের ফিরে আসাটাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতি।
১১৯ বছর বয়সে জাপানের কানে তানাকার মৃত্যুর পর লুসিল হান্দোঁ এ স্বীকৃতি পান। ২০২২ সালের এপ্রিলে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস আনুষ্ঠানিকভাবে হান্দোঁকে জীবিত থাকা সবচেয়ে বেশি বয়সী মানুষের স্বীকৃতি দেয়।