
হ্যান্ডশেকের পাশাপাশি কোলাকুলি করতেও রাজি ভারত-পাকিস্তান

ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। বিশেষত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই দলের মাঠের লড়াই কাপিয়ে দেয় রাজনীতি–কূটনীতিকেও। আগামীকাল ঢাকায় ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ক্রিকেটে দুই দলের ম্যাচে খেলোয়াড়রা করমর্দন করেন না।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে দুই ফুটবল দলকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ম্যাচ শুরুর আগে কিংবা শেষ বাঁশির পর পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভারতীয় ফুটবলাররা করমর্দন করবেন কি না, এমনকি জার্সি বিনিময় করবেন কি না—
এমন প্রশ্নের উত্তরে ভারতের অধিনায়ক নাথান রদ্রিগেজ বলেন, ‘অবশ্যই করব। এটা তেমন বড় কোনো বিষয় নয়।‘ অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হলেও এই প্রসঙ্গে ভারতের কোচ নওশাদ মুসা মাইক নিয়ে বলেন, ‘প্রয়োজন হলে তাদের সঙ্গে আলিঙ্গন করতেও আগ্রহী।‘
ভারতকে দিয়ে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছিল। শেষ হয়েছে পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে। পাকিস্তানের অধিনায়ক আলমগীর গাজীকেও একই প্রশ্ন করা হয়েছিল। ভারতীয় অধিনায়কের সঙ্গে একমত পোষণ করে ক্রিকেট ও ফুটবলের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের অবস্থানও একই। এটা ক্রিকেট নয়, ফুটবল। আর এ কারণেই ফুটবলকে সুন্দর খেলা বলা হয়। তাই হ্যাঁ, আমরাও একই কাজ করব।‘
পাকিস্তান গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। আগামীকাল জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকেল সাড়ে তিনটায় ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ। আজ বিকেলে পাকিস্তানের অনুশীলন সূচি ছিল। সংবাদ সম্মেলনের পর তারা সেই অনুশীলন বাতিল করেন। ঢাকায় অনুশীলন না করেই আগামীকাল ভারতের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান।
২০০৩ সালে ঢাকা সাফ শুরু হয়েছিল ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ দিয়েই। সেই ম্যাচে পাকিস্তান জিতেছিল। আগামীকালের ম্যাচে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাংলাদেশের সমর্থনের পাশাপাশি জয়ের আশাও ব্যক্ত করেছেন।








