শিরোনাম
দুর্গাপূজার ছুটিতে কক্সবাজারে ৬ লাখ পর্যটক সমাগমের প্রত্যাশা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দলে নেই বড় দুই তারকা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সৌদিগামী ৮৯ ফ্লাইট বাতিল, আটকা সাড়ে ১৪ হাজার যাত্রী মার্কিন নির্বাচনের আগে তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে হুতিরা: ট্রাম্প ৪৫তম বিসিএস৩২১ দিনেও গেজেট হয়নি, অনিশ্চয়তায় ১৮০৭ সুপারিশপ্রাপ্তরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ৯ নভেম্বর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির এলপিজি ব্যবসায়ীদের দু’দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার
দীপ্ত নিউজ
বাংলাদেশ

হারিয়ে যেতে বসেছে ঝালকাঠির হাতে বুনা গামছা

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
হারিয়ে যেতে বসেছে ঝালকাঠির হাতে বুনা গামছা

সুতা রঙ্গের মূল্যবৃদ্ধি, আধুনিকতার ছোঁয়া ও পৃষ্ঠপোশকতার অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে ঝালকাঠির নলছিটির হাতে বুনা ঐহিত্যবাহী তাঁতের গামছা শিল্প।

এক সময় ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রাম তাঁত পল্লী হিসেবই পরিচিত ছিলো। যে তাঁত পল্লি তাঁতের খটখট শব্দে রাত–দিন মুখরিত ছিল, আজ সেখানে শোনশান নীরবতা। তবু বাপ–দাদার পেশা আঁকড়ে কোনোমতে টিকে আছে কয়েকটি পরিবার।

ওই এলাকাজুড়ে এক সময় প্রায় দুইশত তাঁতী পরিবার ছিল। স্থানীয় ভাষায় এদের কারিকর বলা হতো। সুতো কিনে বিভিন্ন রং মিশিয়ে নিজেদের তাঁতে সুনিপুণ হাতে গামছা তৈরি হত এই তাঁত পল্লিতে।স্থানীয় জেলা উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হত সে সময়। সেদিন কেবলই হারানো দিন। তবে দুই তিনটি পরিবার এখনও গামছা তৈরি করে কোনোভাবে পুরোনো ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। কিন্তু নানা সংকটেও তারাও হারিয়ে যেতে বসেছে।

এখানকার হাতে বুনা গামছার ফিনিশিংও মান ভালো হওয়ায় মানুষ শরীরে ব্যবহারে আরামদায়ক হওয়ায় এর চাহিদা এক সময় ব্যাপক ছিলো। বর্তমানে বাজারে মোটামুটি চাহিদা থাকলেও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে পারিশ্রমিকের তুলনায় লাভবান কম হওয়ায় এই তাঁত শিল্প হারিয়ে যেতে বসেছে। একজন তাঁতি কারিকর প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি গামছা তৈরি করতে পারে, তাতে খরচ বাদ দিলে ২ থেকে ৩শত টাকা টাকা লাভ হয়ে থাকে ।বর্তমান বাজারে এই সামান্য টুকু লাভে পরিবার পরিজন নিয়ে তাঁতিদের বেঁচে থাকা অনেকটা কষ্টদায়ক। তাঁতিরা একটি গামছা তৈরি করে দুই থেকে আড়াইশত টাকা পাইকারি বিক্রি করে থাকে। যা বাজারে তিন থেকে সাড়ে তিনশত টাকা বিক্রি হচ্ছে।

বর্তমানে সুতা ও রঙের দাম বৃদ্ধির কারণে তাঁত শিল্প হুমকির মুখে রয়েছে। সরকারি সহায়তা এবং পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এটা ভালো ভাবে চালানো সম্ভব বলে মনে করে কারিকররা।

আল/দীপ্ত সংবাদ