‘হোম অব ক্রিকেট‘ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টানটান উত্তেজনার এক লড়াইয়ে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজ জিতল টাইগাররা। অঘোষিত ফাইনালে পরিণত হওয়া সিরিজের শেষ ম্যাচে ব্যাটে–বলে অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়ে ২–১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিল মেহেদি হাসান মিরাজরা।
বরিবার (১৫ মার্চ) তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ উড়ন্ত সূচনা পায়। ওপেনিং জুটিতে সাইফ হাসান (৩৬) ও তানজিদ হাসান তামিম ১০৫ রান যোগ করেন। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ওয়ানডেতে এসে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান তানজিদ তামিম। তিনি ৯৮ বলে শতক পূর্ণ করে শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ১০৭ রান (৬ চার, ৭ ছক্কা) করে আউট হন। মিডল অর্ডারে লিটন দাসের ৪১ এবং তাওহীদ হৃদয়ের অপরাজিত ৪৮ রানের সৌজন্যে ২৯০ রানের সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। পাকিস্তানের হারিস রউফ ৩টি উইকেট নেন।
২৯১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার দাপটে মাত্র ১৭ রানেই ৩ উইকেট হারায় সফরকারীরা। সাহিবজাদা ফারহান (৬), মাজ সাদাকাত (৬) ও মোহাম্মদ রিজওয়ান (৪) দ্রুত বিদায় নেন।
মাঝপথে গাজি ঘোরি (২৯), আব্দুল সামাদ (৩৪) ও সাদ মাসুদ (৩৮) প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় পাকিস্তান। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান সালমান আলি আগা। তিনি দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান। কিন্তু ব্যক্তিগত ১০৬ রানে তাকে থামান তাসকিন আহমেদ। শেষদিকে অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদি ৩৭ রান করে জয়ের আশা জাগালেও শেষ রক্ষা হয়নি। ২৭৯ রানে অল–আউট হয় পাকিস্তান।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ; তিনি একাই নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া মুস্তাফিজুর রহমান ৩টি, নাহিদ রানা ২টি এবং রিশাদ হোসেন ১টি উইকেট দখল করেন।