
যমুনা সার কারখানার উৎপাদন ফের বন্ধ

দুইদিন চালু থাকার পর গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে জামালপুর জেলার যমুনা সার কারখানার উৎপাদন আবারও বন্ধ হয়ে গেছে
রবিবার (২৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা থেকে কারখানার উৎপাদন বন্ধ করা হয় বলে জানিয়েছেন যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বিভাগীয় প্রধান মো. ফজলুল হক।
তিনি বলেন, ‘কারখানায় নিরবচ্ছিন্নভাবে সার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে দৈনিক ৪২ থেকে ৪৩ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ না থাকায় রবিবার ভোর ৫টা থেকে সার উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আবারও উৎপাদন শুরু হবে।’
এর আগে, গ্যাস সংকট ও বিভিন্ন যান্ত্রিক জটিলতার কারণে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩ মাস বন্ধ ছিল যমুনা সার কারখানা। এরপর পুনরায় উৎপাদন শুরু হলেও চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি গ্যাস সংকটের কারণে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ বিরতির পর গত ২০ সেপ্টেম্বর কারখানাটিতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়।
কারখানাটি দৈনিক এক হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
যমুনা সার কারখানা বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তালিকাভুক্ত এক হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে– জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরাঞ্চলের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে আসছে।
কারখানাটি স্বাভাবিকভাবে সচল থাকলে প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদন হয়। এতে কারখানাটির লাভ থাকে প্রায় ৬০ কোটি টাকা।
অন্যদিকে, উৎপাদন বন্ধ থাকলেও অন্যান্য খরচের বাইরে শুধু প্ল্যান্ট সচল রাখতে গ্যাস বিল বাবদ প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয় হয় বলে জানান উৎপাদন বিভাগের প্রধান মো. ফজলুল হক।
এসএ






এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।