শুক্রবার, মার্চ ১৩, ২০২৬
শুক্রবার, মার্চ ১৩, ২০২৬

মরহুম সাংবাদিকের পরিবারের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

চ‍্যানেল আই এর বগুড়া প্রতিনিধি মরহুম সাংবাদিক রউফ জালালের পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে তাদের খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। এসময় আতিকুর রহমান রুমন মরহুম রউফ জালালের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা মরহুমের রউফ জালালের বাড়িতে গিয়ে মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন আতিকুর রহমান রুমন।

উল্লেখ বগুড়া থেকে বহুল প্রচারিত দৈনিক আজ ও আগামীকাল পত্রিকায় মরহুম রউফ জালালের সাথে একসময় একসাথে কাজ করতেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তাই বগুড়ায় এসেই প্রথমে মরহুম সাংবাদিক জালালের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন তিনি।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, মরহুম রউফ জালাল ভাইয়ের সাথে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। আমরা একসাথে অনেকদিন সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছি। তিনি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। তার স্মৃতিগুলো আমাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। তাই যখনই আমি বগুড়া আসি রউফ জালাল ভাইয়ের সাথে দেখা করার চেষ্টা করি। তার এই মৃত্যু আমাকে অত্যন্ত বেদনা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি ও প্রবীণ সাংবাদিক রউফ জালাল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহিরাজিউন)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বুধবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বগুড়া শহরের সূত্রাপুর এলাকার ভাড়া বাসায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জানুয়ারি সূত্রাপুর এলাকার নিজ বাসায় তিনি স্ট্রোক করেন। এরপর তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কিছুটা সুস্থ বোধ করলে বাড়িতে এনে তাকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছিল।

রউফ জালাল ২০০২ সাল থেকে চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে আরও জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাদ জোহর শহরের সেউজগাড়ী জামে মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আনজুমানকবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More