সাইবেরিয়ার দক্ষিণের পাহাড়ি এলাকার বৈকাল হ্রদে একাকী বাস করেন ৮১ বছর বয়সী লুবভ মোরখোডোভা। লুবভ একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রযুক্তি প্রকৌশলী।
অবসর জীবনকে নিজের মতো করে কাটাতে আড়াই কোটি বছর আগে সৃষ্ট বিশ্বের গভীরতম এই হ্রদে একাই বাস করছেন তিনি। বরফের ওপর স্কেটিং করে চলাফেরা করেন তিনি।
৭ বছর বয়স থেকেই স্কেটিংয়ে পারদর্শী লুবভ। ২০১১ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে একাই বাস করছেন সাহসী এ নারী। তবে তিনি নিজেকে একা ভাবেন না। কুকুর, বিড়াল, মোরগ–মুরগি ও গরুসহ নানা প্রাণীদের যত্ন নিয়ে সময় কাটে তার।
বৈকাল হ্রদের বাসিন্দা লুবভ মোরখোডোভা বলেন, ‘বরফের মধ্যে গর্ত করে সেখান থেকে পানি নেই, এরপর তা পাহাড়ে বাছুরের কাছে নিয়ে যাই, গরুকে পান করাই, তারপর আমি বাড়িতে আসি, কাঠ প্রস্তুত করি। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এমন চলে।‘
অবসরে এমব্রয়ডারি এবং অন্যান্য কারুশিল্প করতে পছন্দ করেন লুবভ। পাশাপাশি ছবি আঁকা ও লেখালেখির প্রতিও আগ্রহ রয়েছে। তার কয়েকটি গল্প স্থানীয় প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে।
সারাবছর একা থাকলেও, গ্রীষ্মে লুবভের নাতি–নাতনিরা তার কাছে বেড়াতে যায়।