স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রতিমন্ত্রী এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করছেন। তিনি বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করতে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।
সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকা জেলার ডিসি পদায়ন সংক্রান্ত ‘ঘুষ বাণিজ্যের’ যে দাবি তোলা হয়েছে, তাকে কাল্পনিক বলে অভিহিত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ঢাকা জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম বা পদায়নের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর মন্ত্রণালয়ের কোনো দাপ্তরিক সংশ্লিষ্টতা নেই। এছাড়া ঢাকা জেলা তাঁর নির্বাচনী এলাকা বা স্থায়ী আবাসের অন্তর্ভুক্ত নয়।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বগুড়া, সিলেট ও যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার তদারকি করছেন। মাঠপর্যায়ে কাজের গতিশীলতা যাচাই করে তিনি বিভিন্ন স্থানে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া জাতীয় সংসদে শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক সুবিধাদি নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত সরকারি কমিটিতে তিনি সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মন্ত্রণালয়গুলোর ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নের ঘোষণার সময়কালে এই ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সরকারের প্রশাসনিক আস্থায় ফাটল ধরাতে এবং প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করতে এই তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভিত্তিহীন বিতর্ক তৈরি করা হলে উন্নয়ন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যক্তিগত ইমেজ ক্ষুণ্ন করার মাধ্যমে মূলত সরকারের সামগ্রিক অর্জনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।