সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমস্যা থাকবেই। সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশ এক সময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল। অথচ আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। সবাই একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করলে সেটি অবশ্যই সম্ভব।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সভায় প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছেন।

একইসঙ্গে সেসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও গতিশীল করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়া, কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে দ্রুত সমাধানযোগ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সুপারিশসহ রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মো. সুজাউদ্দৌলা জানান, জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির সমন্বয়ে তিন সদস্যের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি কর্পোরেশনসহ মাঠ পর্যায়ে ভেজাল বিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে এ সভা করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা নানা প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন।

বিশেষ করে জেলাপর্যায়ে জনবল বাড়ানো, উন্নত মানের ল্যাবরেটরি স্থাপন, মাঠ পর্যায়ে কাজ করার জন্য আধুনিক সরঞ্জামসহ সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে মোবাইল কোর্টের ক্ষমতা বাড়ানোরও দাবি জানান তারা।

উপপ্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্কটের কথাগুলো অত্যন্ত ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এ জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।

জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেকের ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তারাই সচেতন হন না। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। সবাইকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More