শিরোনাম
হামের উপসর্গে আরও ৭ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,৩২৭ প্রাথমিকের শিক্ষক প্রশিক্ষণ আড়াই থেকে তিন বছর করার পরিকল্পনা দুর্গাপূজায় বেনাপোল বন্দরে টানা ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ অপারেশন ক্লিন হার্ট করার পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই কোরআন পাঠ, সেই আব্বাস আলী আর নেই টঙ্গীতে ওষুধ তৈরির কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৮ ইউনিট সরকারি স্কুলে ভর্তি: প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানালো বাংলাদেশ সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষকের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের মারামারি, ভিডিও ভাইরাল
দীপ্ত নিউজ
অর্থনীতি

দুর্গাপূজায় বেনাপোল বন্দরে টানা ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
দুর্গাপূজায় বেনাপোল বন্দরে টানা ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে টানা আট দিন আমদানি–রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে।

আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এ সময়ে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ছুটি থাকায় এবং বাংলাদেশেও সরকারি ছুটি পড়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে পুনরায় আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি–রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন বলেন, দুর্গাপূজার ছুটিতে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ ট্রাক পণ্য আমদানি–রপ্তানি হয়।

তিনি বলেন, এ বন্দর থেকে সরকার দৈনিক প্রায় ২০ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। সেই হিসাবে টানা আট দিন বাণিজ্য বন্ধ থাকলে প্রায় ১৬০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় পিছিয়ে যেতে পারে।

এদিকে দীর্ঘ সময় আমদানি–রপ্তানি বন্ধ থাকায় বন্দরে পণ্যজট ও যানজটের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

তাঁরা জানান, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই স্থলবন্দর দিয়ে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়। ভারত থেকে স্থলপথে আমদানি করা পণ্যের বড় একটি অংশ আসে বেনাপোল দিয়ে। ফলে টানা আট দিন বাণিজ্য বন্ধ থাকলে শিল্পকারখানায় কাঁচামাল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি করা পণ্যের বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী বলেন, দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির কারণে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত পেট্রাপোল বন্দরে বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে বাংলাদেশে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি থাকায় দুই দেশের মধ্যে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম টানা আট দিন বন্ধ থাকবে। ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে যথারীতি বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হবে।

তবে আমদানি–রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান।

তিনি বলেন, দুর্গাপূজার সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ইমিগ্রেশন ডেস্কে অতিরিক্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত করা হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও দুই দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের পক্ষ থেকে ছুটির বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ও কাস্টমসের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় আগে আমদানি করা পণ্য খালাস করা যাবে। একই সঙ্গে পণ্য খালাস শেষে ভারতীয় খালি ট্রাকগুলো নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবে।

তিনি আরও জানান, ছুটি শেষে ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে বেনাপোল–পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম আবার স্বাভাবিক হবে।