দীপ্ত নিউজ
জাতীয়

তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা জানাল সিডব্লিউইউ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ:
তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা জানাল সিডব্লিউইউ

সমাজ, শিক্ষা, চিকিৎসা, জ্ঞানচর্চা ও মানবিক কল্যাণে অসামান্য অবদান রাখায় দেশের তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা জানিয়েছে সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে এই আয়োজনে অংশ নেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্ট জনেরা

এদিন সম্মাননা জানানো হয় মানবাধিকারকর্মী ডক্টর হামিদা হোসেন, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ এবং চিকিৎসাবিদ অধ্যাপক সায়েবা আক্তারকে।

গুণীজন হামিদা হোসেন তার কর্মময় জীবনে নারীর শ্রম, শিক্ষা ও জীবনমান নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা করেছেন। নারীর অধিকার রক্ষায় বিভিন্ন সময় দিয়েছেন আইনি সহায়তা। এছাড়া বাংলাদেশের হস্তশিল্প ও তাঁতশিল্পের মানচিত্র তৈরি এবং এর বাণিজ্যিকীকরণে তিনি অসামান্য অবদান রাখেন।

নারীর অধিকার রক্ষায় ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র’ এবং ‘শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম’ গঠন করা হয়েছে; এই দুটি সংগঠন সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অসুস্থ থাকায় শারীরিকভাবে অনুষ্ঠানে অংশ নেননি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ। তার পক্ষে সন্তান লুনা সাঈদ সম্মাননা গ্রহণ করেন। তবে ভিডিও বার্তায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জানান, মানুষ অসীম শক্তির অধিকারী, সেই শক্তি দিয়েই শুভকে জয়ী করবে।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ ভিডিও বার্তায় বলেন, “আমরা সুখের মধ্যে ছিলাম, এখন কিছুকালের জন্য আমরা দুঃখের মধ্যে নেমেও যেতে পারি। কিন্তু মানুষের শক্তি অপরাজেয়। আমি বিশ্বাস করি যে, মানুষ এর সঙ্গে সংগ্রাম করবে এবং একসময় জয়ী হবে।“

মাতৃস্বাস্থ্য ও নারী স্বাস্থ্য বিষয়ে অনন্য অবদান রাখা একুশে পদকপ্রাপ্ত চিকিৎসক সায়েবা আক্তার বলেন, “মানবসভ্যতার অপরিহার্য অংশ নারী, কিন্তু তাদের প্রতি বৈষম্য এখনো চলমান।“

তিনি বলেন, “নারী কোনো অনুগ্রহের পাত্র নয়, নারী সমান অধিকার, সম্মাননা ও সম্ভাবনা নিয়ে জীবন গ্রহণকারী একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ। এই জায়গায় সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি শুধু শিক্ষিত নারী তৈরি করবে না, তৈরি করবে চিন্তাশীল, আত্মবিশ্বাসী মানবী, গবেষণামুখী এবং সমাজ পরিবর্তনের সক্ষম নারী নেতৃত্ব।“

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানান, এমন গুণীজনদের সম্মাননা দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গর্বিত। ভবিষ্যতেও সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি এই ধরনের সম্মাননা প্রদান অব্যাহত রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।