শুক্রবার, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
শুক্রবার, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬

তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করে দেশকে শান্তির পথে এগিয়ে নিই: মির্জা ফখরুল

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করে দেশকে শান্তির পথে এগিয়ে নিই: মির্জা ফখরুল

গত ১৫ বছরে মানুষ ভোট দিতে পারেনি, কিন্তু এবার সবাই ভোট দিতে চায়—উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মানুষ এবার তাদেরই ভোট দিতে চায় যারা অতীতে কাজ করেছে, জনগণের সঙ্গে বেঈমানি করেনি এবং গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় আন্দোলনসংগ্রাম ও ত্যাগ স্বীকার করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের ছেলেমেয়ে ও জনগণের আন্দোলনের ফলেই আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়ে গেছে। এখন সুযোগ এসেছে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার। এই ভোটের মাধ্যমে এমন একটি সরকার গঠন করতে চাই, যে সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করবে, গণতন্ত্র ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষা করবে। এগুলো করতে বিএনপিই এই সময়ে সবচেয়ে যোগ্য দল‌ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।‌

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের গড়েয়া ইউনিয়নের পুরাতন গড়েয়া সাহাপাড়ায় এক নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছয় বছর জেল খেটেছেন। এর আগেও স্বৈরশাসক এরশাদের সময় তিনি নয় বছর রাস্তায় আন্দোলন করেছেন। আমরা যারা রাজনীতি করেছি, কমবেশি সবাই জেল খেটেছি, নির্যাতন ও জুলুমের শিকার হয়েছি।

বিএনপির ভূমিকা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন। বিএনপি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারে বিশ্বাসী একটি রাজনৈতিক দল।

অতীতের সরকারের কর্মকাণ্ড স্মরণ করে তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় থাকাকালে মেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার চেষ্টা করেছি এবং কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছি। কৃষকদের জন্য ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছি।

তিনি সবাইকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, হিন্দুমুসলমানবৌদ্ধখ্রিষ্টান সবাই এক জোট হয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করে দেশকে শান্তি, উন্নয়ন ও প্রগতির পথে এগিয়ে নিই।

আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বিএনপি মহাসচিব।

মঈনুদ্দীন তালুকদার/এজে/দীপ্ত সংবাদ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More