শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬
শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬

হাদি হত্যাকাণ্ড: ফয়সালকে পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমা পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল'কে ভারত পালাতে 'সহায়তাকারী' সেই ফিলিপ সাংমা'কে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

ইনকিলাব মঞ্চ মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে অবৈধভাবে ভারত পালাতে সহায়তাকারীসেই ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

শনিবার (১৪ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নদীয়া জেলার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত স্বার্থে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ পক্ষ থেকে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশ জানায়, গোপন সূত্র খবর পেয়ে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করে স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ সাংমা স্বীকার করেন যে, তিনি ফয়সাল করিম এবং আলমগীরকে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকতে সহায়তা করেন। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার এড়াতে পরে তিনি নিজেও অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়েন।

গ্রেপ্তারের পর ফিলিপ সাংমাকে আদালতে তোলার পর এখন পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)

এর আগে, গত ৮ মার্চ অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের (এসটিএফ)

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট সড়কে গুলিবিদ্ধ হন সমান হাদি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল নেয়া হয়। পরিবারের ইচ্ছায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সবশেষ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

এসএ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More