রবিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রবিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৬

বাংলাদেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুত আছে ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট: জ্বালানিমন্ত্রী

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
বর্তমানে বাংলাদেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুত রয়েছে আনুমানিক ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান।

বর্তমানে বাংলাদেশে উত্তোলনযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাস মজুত রয়েছে আনুমানিক ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালএর সভাপতিত্বে বগুড়া৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মোট মজুত ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অবশিষ্ট গ্যাসের পরিমাণ ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

তিনি জানান, যদি নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হয় এবং বর্তমান হারে (দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সরবরাহ করা হয়, তবে অবশিষ্ট এই মজুত দিয়ে প্রায় ১২ বছর দেশের চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, দেশে নতুন গ্যাস সম্পদ অনুসন্ধানে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পেট্রোবাংলার কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার মহাপরিকল্পনার আওতায় মোট ৫০ ও ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এরইমধ্যে ২৬টি কূপ খনন এবং ওয়ার্কওভার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কূপগুলোর কাজও বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান আছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বাপেক্স ইতোমধ্যে ব্লক৭ ও ৯এ প্রায় ৩ হাজার ৬০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক ডাটা সংগ্রহ সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে এর প্রক্রিয়াকরণ চলছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ১ হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সিসমিক জরিপ শুরু করতে যাচ্ছে।

 

এসএ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More