কিরগিজস্তানে বাড়ছে প্রোটিন সমৃদ্ধ ঘাসফড়িংয়ের বাণিজ্যিক চাষ। ঘাসফড়িংয়ের ফার্ম করে সফলতা পেয়েছেন কিরগিজস্তানের অনেকেই। কিন্তু চাহিদা অনেক বেশি থাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করতে পারছেন না তাঁরা।
বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে ঘাসফড়িং একটি জনপ্রিয় নাস্তা। নোনতা এবং ভাজা ঘাসফড়িং খুবই সুস্বাদু। চাহিদা বাড়ায় এখন ঘাসফড়িং চাষ বাণিজ্যিকভাবে হচ্ছে।
কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকের বাসিন্দা অ্যাডিল গাপারভ। ২০২০ সালে ঘাসফড়িংয়ের চাষ শুরু করেন তিনি। গত তিন বছরে ১৫ লাখ ঘাসফড়িং উৎপাদন করেছেন তিনি।
কিরগিজস্তান ঘাসফড়িং ফার্মের মালিক অ্যাডিল গাপারভ বলেন, ‘একটি নারী ঘাসফড়িং দুই’শ লার্ভা উৎপাদন করতে পারে। তারা খুব উর্বর এবং তাদের বৃদ্ধির চক্র দেড় মাস। প্রাপ্তবয়স্ক হতে সময় নেয় ৪০ দিন।‘
চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে না পারার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চীন থেকে একসাথে ৪০ টন রপ্তানির অর্ডার এসেছে। কিন্তু আমি তা দিতে অক্ষম। এটি একটি একক চালান, কিন্তু তারা প্রতি মাসে দুই, তিন বা পাঁচটি এই ধরনের ডেলিভারি নিতে ইচ্ছুক।‘
পোকামাকড়ে বেশি মাত্রায় প্রোটিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ থাকায় এগুলোকে ‘ভবিষ্যতের খাদ্য উৎস‘ হিসাবে চিহ্নিত করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
আফ/দীপ্ত সংবাদ