শিরোনাম
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দলে নেই বড় দুই তারকা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সৌদিগামী ৮৯ ফ্লাইট বাতিল, আটকা সাড়ে ১৪ হাজার যাত্রী মার্কিন নির্বাচনের আগে তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে হুতিরা: ট্রাম্প ৪৫তম বিসিএস৩২১ দিনেও গেজেট হয়নি, অনিশ্চয়তায় ১৮০৭ সুপারিশপ্রাপ্তরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ৯ নভেম্বর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির এলপিজি ব্যবসায়ীদের দু’দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার হামের উপসর্গে আরও ৭ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,৩২৭
দীপ্ত নিউজ
চট্টগ্রাম বিভাগ

এইচএসসি পাশ করেই সহকারী অধ্যাপক, ভুয়া চিকিৎসকের কারাদণ্ড

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
এইচএসসি পাশ করেই সহকারী অধ্যাপক, ভুয়া চিকিৎসকের কারাদণ্ড

নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মো. এনামুল হক (অমর শীল) নামের এক ভুয়া চিকিৎসককে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

একই সাথে সেবা গ্রহীতার জীবন বিপন্নকারী কাজের অপরাধে হসপিটাল কর্তৃপক্ষকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

শনিবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির আরাফাত। অভিযানে সহযোগিতা করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ।

দণ্ডপ্রাপ্ত চিকিৎসক অমর শীল (৩৫) চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার উলিপুর গ্রামের গৌরেন্দ্র শীলের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, চৌমুহনী পৌরসভার পাবলিক হল এলাকার জেনারেল মা ও শিশু হাসপাতালে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। হাসপাতালটির নিচ তলায় চেম্বারে সহকারী অধ্যাপক (বিএসএমএমইউ), এমবিবিএস, এফসিপিএস, ডিডিভি স্পেশাল ট্রেনিং ইন ডার্মাটোলজি (থাইল্যান্ড) এর ডিগ্রিধারী পরিচয়ে রোগী দেখছিলেন মো.এনামুল হক নামের একজন চিকিৎসক।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে জিজ্ঞাসাবাদের সে জানায়, তার প্রকৃত নাম অমর শীল। তিনি ২০০৩ সালে বলাখাল জেএন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে থেকে এসএসসি ও ২০০৫ সালে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এর বেশি তিনি পড়াশোনা করেন নাই। এ হসপিটালে তিনি গত ৪ মাস যাবত চেম্বার করছেন। এর আগে তিনি জেলা শহর মাইজদীর ট্রাস্ট ওয়ান হসপিটালে চেম্বার করতেন।

জেনারেল ও শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডাক্তার এনামুল হক নামধারী ওই ভুয়া চিকিৎসকের সাথে চুক্তিপত্র বা তার সার্টিফিকেট/ডিগ্রীর সনদপত্র দেখাতে পারে নি। ভুয়া চিকিৎসক ডা. এনামুল হক প্রতিদিন ৩০–৩৫ জন রোগী দেখতেন। রোগী প্রতি ৭ শত টাকা করে ফি নিতেন তিনি।

পরবর্তীতে তথ্য–প্রমাণ ও তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অমর শীলকে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। একই সাথে সেবা গ্রহীতার জীবন বিপন্নকারী কাজের অপরাধে হসপিটাল কর্তৃপক্ষকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির আরাফাত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত ভুয়া চিকিৎসককে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আমাদের এমন অভিযান অব্যহত থাকবে।

 

এসএ/দীপ্ত নিউজ