মাধ্যমিক থেকে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার (১১ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ–২০২৩ এর সেরা মেধাবী পুরস্কার এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড–২০২২ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছিলাম বলেই মহামারি করোনা মোকাবিলা করা সহজ হয়েছে। এমন কি স্কুল–কলেজ যখন সব বন্ধ রাখা হয়, তখন অনলাইনে বিশ্ব মহামারি করোনার মধ্যে ‘আমার ঘর আমার স্কুল’ এ নীতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়া হয়। আজকে আমাদের ছেলেমেয়েরা মেধা বিকাশের সুযোগ পেয়েছে। তাদের মধ্যে উদ্ভাবনী যে শক্তিটা সেটা প্রকাশিত হচ্ছে। আজ তারা যে বক্তব্য দিয়েছে, শুনে আমার মন ভরে গেছে।‘
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি নিয়ে সবাই আশাবাদী। কেউ দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যেতে পারবে না। ৫০ বছরের ইতিহাসে কোন সরকার ধারাবাহিকতা রাখতে পারেনাই। শিক্ষার্থীদের আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলার আহবান জানান। সরকার গবেষণাখাতের প্রসার ঘটিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের গবেষণায় মনোযোগী হতে পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক থেকে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফির জি টু পি পদ্ধতিতে উপবৃত্তির টাকা দেয়া হয়৷ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ৫২ লাখ ১৪ হাজার ৬৫০ জন শিক্ষার্থীকে ১ হাজার ১২০ কোটি ৪৫ লাখ ৯ হাজার ৫৬০ টাকা অনলাইন মাধ্যমে অভিভাবকদের অ্যাকাউন্টে দেয়া হয়েছে৷ স্নাতক পর্যায়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৮৯ জন শিক্ষার্থীকে দেয়া হয়েছে ৭৯ কোটি ৪৭ লাখ ৬১ হাজার ৫৬০ টাকা।
বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ–২০২৩ জাতীয় পর্যায়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সেরা ১৫ জন শিক্ষার্থীর হাতে পদক তুলে দেয়া হয়৷ এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড ২০২২ পেয়েছেন মোট ২২ জন কৃতি শিক্ষার্থী।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
আফ/দীপ্ত নিউজ