বিশ্ব গণমাধ্যমে এখন আলোচনার শীর্ষে অত্যাধুনিক লেপার্ড-টু ট্যাংক। রুশ বাহিনীকে ঠেকাতে, ইউক্রেনকে এই যুদ্ধযান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানিসহ কয়েকটি দেশ। যুদ্ধক্ষেত্রে এই ট্যাংক খুবই কার্যকর।
এটি লেপার্ড-টু ট্যাংক। জার্মানির তৈরি তৃতীয় প্রজন্মের এই যুদ্ধযান ১৯৭৯ সাল থেকে দেশটির সেনাবাহিনী ব্যবহার করছে। প্রযুক্তি হস্তান্তরের কারণে, আরও কয়েকটি দেশও লেপার্ড ট্যাংক তৈরি ও ব্যবহার করে। ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে এই ট্যাংক। আর আঘাত হানতে পারে দুই কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে।
৫৫ টন ওজনের লেপার্ড-টু’র অপারেশনাল রেঞ্জ ৫০০ কিলোমিটারের মতো।
এতে ১২০ মিলিমিটার স্মুথ বোরের কামান ব্যবহার করা হয়। লেপার্ড-টু ট্যাংকের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২ ফুট, আর প্রস্থ ১২ ফুটের কিছু বেশি। এতে ১১শ ৬০ লিটার ডিজেল ধারণক্ষমতার ট্যাংকার রয়েছে। আর এটি নিয়ন্ত্রণ করা হয় ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে। ১৯৬৫ সালে জার্মানি প্রথম লেপার্ড ট্যাংক তৈরি করে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি জার্মানিসহ কয়েকটি দেশ, রুশ বাহিনীকে মোকাবিলার জন্য ইউক্রেনকে লেপার্ড-টু ট্যাংক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন যুদ্ধবিশ্লেষকরা।