রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২৬
রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২৬

আজ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল দিবস

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

 

ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল দিবস আজ। ১৯৯৬ সালের এই দিনে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অধ্যাদেশটির রহিতকরণ বিল পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ উন্মুক্ত হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইন, বিচার ও সভ্যতার ইতিহাসে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কলঙ্কনজনক অধ্যায় বলে মনে করেন তারা। একটি কমিশন গঠন করে, এর নেপথ্যের কুশীলবদের সামনে আনা এখন সময়ের দাবি।

যার নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগে বাংলাদেশ, তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। বাঙ্গালীর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই মহানায়ককে, পরিবারসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ১৯৭৫এর ১৫ আগস্ট।

শোকের এমন আবহে আরও নিষ্ঠুরতার পথ বেছে নেয় হত্যাকারীরা। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানের হত্যার বিচার যাতে না হয়, সে জন্য তৎকালীন খন্দকার মোশতাকের সরকার, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর এ নিয়ে আইন প্রনয়ন করা হয়।

আর ১৯৭৯ সালের ৯ জুলাই, জিয়াউর রহমান ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে কালো আইনটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে। এতে সাংবিধানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় জাতির জনকের হত্যাকান্ডের বিচার।

কলঙ্কজনক এই আইন থেকে জাতি মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে, সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাস হয়। আর ২০১০ সালে অবৈধ ঘোষণা করা হয় ৫ম সংশোধনী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, কেন ২১ বছরেও কোন বিবেকবান বিচারক ও আইনজীবী কালো আইনটি নিয়ে সরব হননি? বিষয়টি দুঃখজনক উল্লেখ কোরে এর রহস্য উদঘাটনে একটি কমিশন গঠনের তাগিদ দিয়েছেন।

যাদের দিয়ে এই কালো আইন প্রণয়ন হয়েছিল, তারা অনাদিকাল মানুষের ঘৃণার পাত্র হয়েই থাকবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

 

এসএ/দীপ্ত নিউজ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More