মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬
মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬

আইফোন ও টাকার লোভে বন্ধুকে হত্যা

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
সিয়াম মুকসুদপুর সরকারী কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় একটি আইফোন ও নগদ টাকার লোভে সিয়াম (১৮) নামের একজনকে চার বন্ধু মিলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৯ মার্চ) নিখোঁজের দুদিন পর গভীর রাতে উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের একটি পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে সিয়ামের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুকসুদপুর থানার এসআই মোবারক হোসেন।

সিয়াম মুকসুদপুর সরকারী কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের লিখন মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মাদকের টাকা জোগাড় করতে সিয়ামকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় চার বন্ধুকে সন্দেহ করে পুলিশ। গত শনিবার অভিযুক্তরা সিয়ামকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তারা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে। হত্যার পর সিয়ামের ব্যবহৃত আইফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়।

ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরদেহটি বাঁশবাড়ীয়া হাসপাতালের পেছনে কাশবন সংলগ্ন একটি পুকুরে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে অভিযুক্তরা ছিনিয়ে নেয়া আইফোনটি বোয়ালিয়া গ্রামের এক ব্যক্তির কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে।

সিয়ামের পরিবারের সদস্যরা জানান, সিয়াম গত ৭ মার্চ থেকে নিখোঁজ ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে সন্দেহের ভিত্তিতে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্তে নামে এবং সন্দেহভাজন হিসেবে সিয়ামের বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।

মুকসুদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন বলেন, এ ঘটনায় সিয়ামের দুই বন্ধু পারভেজ মুন্সী ও দিদার মুন্সী হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে পুলিশ ওই পুকুরে তল্লাশি চালায়। এরপর সোমবার রাত ১১টার দিকে কচুরিপানার নিচ থেকে সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তিনি বলেন, সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More