শিরোনাম
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলবে নতুন ট্রেন, দেখে নিন সূচি অরুণাচলের ৬-৭ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনারা ‘পিতা তার কন্যাকে পশু থেকে রক্ষা করার জন্য মেগাটনের থাপ্পর মারার ক্ষমতা রাখে’ সাফের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ, ডাক পেলেন রোনান সুলিভান মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নতুন প্রধান কোচ পোলার্ড বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে এনআইডি সংশোধনের ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি গাজীপুরে পোশাক কারখানার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ারের ৮ ইউনিট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই, থাকছে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ
দীপ্ত নিউজ
আন্তর্জাতিক

অরুণাচলের ৬-৭ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ:
অরুণাচলের ৬-৭ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনারা
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের অরুণাচল প্রদেশে সীমান্তের একাধিক স্থানে ভারত ও চীনা সেনারা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইন্দো–তিব্বত বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) মহাপরিচালক শত্রুজিৎ কাপুর। এছাড়া প্রদেশটির কয়েক কিলোমিটার ভেতরে চীনা সেনারা অবস্থান করছে বলেও জানা গেছে।

 

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সরকারি সূত্রের বরাতে দ্য হিন্দু এই খবর জানিয়েছে।

 

গত জুলাইয়ের পর থেকে সীমান্তে উত্তেজনা কতটা বিস্তৃত হয়েছে, এ বিষয়ে এটিই ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রথম আনুষ্ঠানিক বক্তব্য।

 

আইটিবিপি প্রধান শত্রুজিৎ কাপুর বলেন, সীমান্ত রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী অস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন এবং অ্যান্টি–ড্রোন প্রযুক্তির ওপর জোর দিতে হবে।

 

তিনি বলেন, চীনকে কেবল পুরোনো কৌশলে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়, কারণ তারা আধুনীকিকরণে অনেক এগিয়ে গেছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ইউক্রেন ও ইরানের ড্রোন ব্যবহারের কৌশল উল্লেখ করেন।

 

আইটিবিপি মহাপরিচালক আরও জানান, আগামী তিন বছরের মধ্যে চীন সীমান্তে প্রতিটি ফরোয়ার্ড পোস্টের জন্য মাটির নিচে নিরাপদ আশ্রয়স্থল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আধুনিক যুদ্ধকৌশলে মাটির ওপরের যেকোনো স্থাপনা সহজেই লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, তাই মাটির নিচে স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো তৈরিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

দ্য হিন্দু জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের টাকসিংয়ের কাছে আসাফিলা এলাকায় জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা চলছে। আপার সুবানসিরি জেলার টাকসিং সার্কেলের মাজা কোম্পানি অপারেটিং বেসের কাছে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) সদস্যরা উঁচু এলাকায় তাঁবু স্থাপন করেছেন। ভারত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) যেখানে রয়েছে বলে মনে করে, সেখান থেকে প্রায় ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার ভেতরে তাঁবুগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

 

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, জুলাইয়ে নিয়মিত টহলের সময় মাজা এলাকায় ভারতীয় ও চীনা সেনারা মুখোমুখি হন। সংক্ষিপ্ত উত্তেজনার পর দুই পক্ষ ফিরে গেলেও কয়েক দিন পর আরও বেশি সদস্য নিয়ে ফিরে আসে চীনা সেনারা। এরপর ভারতের ধারণা অনুযায়ী, এলএসি থেকে ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার ভেতরে তাঁবু স্থাপন করে তারা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এরপর থেকে ওই এলাকায় নিজেদের সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে ভারতও। সূত্র: দ্য হিন্দু

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।